শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনি

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি শপথ নিয়েছেন। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আরশাদুর রউফ এবং সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা গেজেট প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।




নড়াইলে দুই দিনব্যাপী সুলতান উৎসব

নড়াইলে দুই দিনব্যাপী ‘সুলতান উৎসব’ সমাপ্ত হয়েছে। এস এম সুলতান শিশু চারু ও চারুকলা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শনিবার রাতে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সুলতান মঞ্চ চত্ত্বরে সুলতান উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মোস্তাফিজুর রহমান আলেক।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক হায়দার আলী দেওয়ান, এস এম সুলতান শিশু চারু ও চারুকলা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ হানিফ, সদস্য সচিব সসীম সরকার প্রমুখ।

সমাপনী দিনে ‘আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে’ অংশ নেয়া গণমাধ্যমকর্মী ফরহাদ খানসহ শ্রেষ্ঠ ৫ জনকে পুরষ্কৃত করা হয়। আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে মোট ৫৫ জনের আঁকা ছবি স্থান পায়। এছাড়া রাতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সুলতান মঞ্চ চত্ত্বরে দু’দিনব্যাপী সুলতান উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।




নেপালের বন্যায় সেই বাড়ির বারান্দায় আটকা পড়া ব্যক্তিরা উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালে ভয়াবহ বন্যার মধ্যে চারপাশ থেকে তীব্র কাদাপানির স্রোত ধেয়ে আসার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রবল স্রোতের মধ্যে একটি হালকা সবুজ রঙের বাড়ির বারান্দায় কয়েকজন মানুষ আটকা পড়ে আছেন। বাড়িটির ছাদে থাকা একজনকে সাহায্যের জন্য লাল কাপড় নাড়তেও দেখা যায়।

তবে স্বস্তির বিষয় হলো, বন্যার পানির স্রোত কমে যাওয়ার পর তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করাড।

বিবিসি ভেরিফাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওটি নেপালের ত্রিশূলী নদীসংলগ্ন এলাকার। বন্যার সময় ওই বাড়ির দোতলার বারান্দায় কয়েকজন আটকা পড়েছিলেন। চারপাশে তখন এতটাই তীব্র স্রোত ছিল যে, বাড়িটি যে কোনো মুহূর্তে ভেসে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের পরবর্তী পরিণতি দেখা যায়নি। তবে বন্যার পানির স্রোত কমে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন সেখানে পৌঁছে তাদের সাহায্য করেন। ভিডিওতে অন্তত তিনজনকে দেখা যায়—একজন পুরুষ, একজন নারী ও একটি শিশু। শিশুটিকে দেখতে ছোট মেয়ের মতো মনে হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, বাড়িটির চারপাশ দিয়ে তীব্র বেগে কাদামাটির স্রোত বয়ে যাচ্ছে। স্রোতের সঙ্গে বড় বড় পাথর, ধ্বংসাবশেষ এবং বাড়িঘরের টিনের চালও ভেসে যাচ্ছে। এসব ধ্বংসাবশেষ একের পর এক বাড়িটিতে আঘাত করছিল। এ সময় বাড়ির ছাদে থাকা এক নারী সাহায্যের আশায় লাল কাপড় নাড়ছিলেন। অন্যদিকে বারান্দায় থাকা ব্যক্তিদের অসহায়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়।

ভিডিওটি দেখে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষক এরিক চেন এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম হৃদয়বিদারক দৃশ্য হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘চারপাশের সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া প্রবল স্রোতের মধ্যেও বাড়িটি তখনও দাঁড়িয়ে ছিল এবং মানুষগুলো বারান্দা ও ছাদে কোনোভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করছিলেন।’

তবে ভিডিওতে দেখা পরিবারটির পরিচয় প্রকাশ করেনি বিবিসি ভেরিফাই। বন্যার পানির স্রোত কমে যাওয়ার পর লোকজন তাদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।




চার মাসে তেল বিক্রি করে ৭৫০ কোটি ডলার আয় করেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আমেরিকার নৌবাহিনীর অবরোধের মধ্যেই গত চার মাসে তেল বিক্রি করে ৭৫০ কোটি ডলার আয় হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। শনিবার বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে অবরোধ সংক্রান্ত আলোচনা অচলাবস্থায় থাকলেও তেহরান তাদের বাজেট লক্ষ্যমাত্রা প্রায় পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

ফার্স জানিয়েছে, বর্তমান ইরানি বর্ষের প্রথম চার মাসে (২১ মার্চ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত) তেল বিক্রি থেকে আসা এই ৭৫০ কোটি ডলার ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে। তেল মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থাটি জানিয়েছে, এই তহবিল জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট হবে। নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যে তেল থেকে রাজস্ব আয় বাজেটে প্রাক্কলিত পরিমাণের ৯৯ শতাংশ অর্জন করেছে।

​এদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর এই অবরোধ ইরানের তেল রপ্তানি এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যকে ব্যাহত করেছে। হরমুজ প্রণালির বর্তমান অবস্থাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বিরোধ এখনো চরমে। চলমান সংঘাতে তেহরান এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে চলাচল সীমিত করে দিয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র মুক্ত ও অবাধ নৌ চলাচলের স্বার্থে জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

গত জুন মাসে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পৌঁছানো একটি সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী (এমওইউ), মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া ছিল অন্যতম প্রধান শর্ত। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন অবরোধ অবসান, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াসহ সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতিগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত তেহরান এই জলপথ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করবে না।

​ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নেতিবাচক প্রভাব স্বীকার করে বলেছেন যে কিছু লোক বলে নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব নেই, কিন্তু যারা এ কথা বলেন, তাদের উদ্দেশে তার সত্যিই কিছু বলার নেই। তিনি জানান যে তারা একটি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন এবং তাদের এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে।




নাফ নদে এক লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

ডেস্ক নিউজ : কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাও জব্দ করা হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ বিওপির যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নাফ নদে অবস্থান নেয় বিজিবির নৌ-টহল দল। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সন্দেহজনক একটি নৌকাকে থামার সংকেত দিলে সেটি পালানোর চেষ্টা করে। বিজিবি ধাওয়া করলে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা একটি প্লাস্টিকের বস্তা নদীতে ফেলে দেয়। পরে নৌকাসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- টেকনাফের কুলালপাড়ার মৃত কবির আহম্মেদের ছেলে মো. জামাল হোসেন (৩৮), সাবরাং নোয়াপাড়ার শাহ আলমের ছেলে মো. এমরান (২৫) ও একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইসমাইল (২৪)।

আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নদে তল্লাশি চালিয়ে শাহপরীর দ্বীপসংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকা থেকে বস্তাটি উদ্ধার করা হয়। এতে এক লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।




জাতীয় দলে ফিরতে প্রবাসী ফুটবলারদের সামনে নতুন পরীক্ষা

ক্রীড়া ডেস্ক : আসিয়ান কাপ সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছেন প্রধান কোচ থমাস ডুলি। দলটি ইতোমধ্যে দুই দিন অনুশীলনও করেছে। তবে দেশের বাইরের বিভিন্ন লিগে খেলা প্রবাসী ফুটবলারদের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি কোচ। কয়েকজনকে জাতীয় দলের অনুশীলনে দেখে যাচাই করতে চান তিনি।

ইংল্যান্ডপ্রবাসী ফুটবলার কিউবা মিচেল আগে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ছিলেন। এবার তাকে ২ থেকে ৩ দিনের জন্য জাতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলনে দেখতে চান ডুলি। তবে কিউবাকে নিজের খরচে বাংলাদেশে এসে অনুশীলনে যোগ দিতে হবে বলে জানিয়েছেন কোচ। জাতীয় দলে আগে খেলা একজন ফুটবলারকে আবার নিজ খরচে এসে সামর্থ্যের পরীক্ষা দিতে হবে কেন এ নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে।

ডুলি অবশ্য এতে কোনো সমস্যা দেখছেন না। তার মতে, জাতীয় দলে ফিরতে চাইলে একজন ফুটবলারকে নতুন কোচিং দলের সামনে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। অন্যদের চেয়ে নিজেকে ভালো প্রমাণ করে দলে জায়গা করে নিতে পারলে পরবর্তীতে তার বিমানের খরচ ফেডারেশন বহন করবে।

কিউবার পাশাপাশি গোলরক্ষক সাইফ, সুকি ইতফকা এবং বর্তমানে অনূর্ধ্ব-২০ দলে থাকা অ্যাডাম আব্বাস ও জিদানকেও জাতীয় দলের সঙ্গে ২ থেকে ৩ দিন অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া হবে। অনুশীলনে তাদের পারফরম্যান্স দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন কোচ।

প্রবাসী ফুটবলারদের জন্য সেপ্টেম্বরে আলাদা বাছাইয়ের আয়োজন করার কথা থাকলেও সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে। এখন প্রাথমিক দলের সঙ্গে অনুশীলনের মাধ্যমেই কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলারকে যাচাই করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তবে কিউবা নিজে জাতীয় দলে ফেরার আগ্রহ জানিয়েছেন, নাকি কোচ কিংবা ফেডারেশনের পক্ষ থেকে তাকে ডাকা হয়েছে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। কোচ বা ফেডারেশনের আগ্রহে যদি তাকে ডাকা হয়ে থাকে, তাহলে নিজের খরচে বাংলাদেশে এসে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। আবার কিউবার নিজের আগ্রহের ভিত্তিতে যদি তাকে সুযোগ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে জাতীয় দলের ক্যাম্পকে পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে।




টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভিক্টোরিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে চলমান টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিফাইনালের চার দল চূড়ান্ত হয়েছে। শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ এইচপি, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমি, ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমি ও নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দল।

পয়েন্ট টেবিলের নিয়ম অনুযায়ী, দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ এইচপি সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমির। অন্য সেমিফাইনালে শীর্ষ দল অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমির প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড ‘এ’।

ছয় ম্যাচে পাঁচটি জয় নিয়ে ১০ পয়েন্ট করে পেয়েছে অ্যাডিলেড ও বাংলাদেশ এইচপি। তবে রান রেটে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে রয়েছে অ্যাডিলেড। বাংলাদেশ এইচপি আছে দ্বিতীয় স্থানে।

ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমিও ছয় ম্যাচে পাঁচ জয় নিয়ে ১০ পয়েন্ট অর্জন করেছে। তবে রান রেটে পিছিয়ে থাকায় তারা তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড ‘এ’, নর্দার্ন টেরিটরি স্ট্রাইক ও হায়দরাবাদ কিংসম্যান একাডেমি ছয় ম্যাচে তিনটি করে জয় পেয়েছে। রান রেটে এগিয়ে থাকায় নিউজিল্যান্ড ‘এ’ চতুর্থ দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।

আগামী রোববার ৩০ আগস্ট বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় একটি সেমিফাইনাল এবং সকাল ৭টায় অন্য সেমিফাইনাল শুরু হবে। একই দিন বেলা সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

শেষ চারে বাংলাদেশের সামনে এখন শিরোপার পথে আরও একটি বাধা ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমি। জয় পেলেই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ এইচপি।




“গণপূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীকে ঘিরে আবাসন ব্যবসার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি”

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্ত অধিদপ্তরের পাঁচ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আবাসন ও ডেভেলপার ব্যবসায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত থাকার যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, সরকারি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার বিষয়টি নথিপত্র ও আর্থিক তথ্যের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

এর আগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান মিজান, উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার খান আনু, সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) আবুল বাসার, উপসহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) আব্দুর রউফ এবং সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) গুলনাহারের বিরুদ্ধে আবাসন ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে। তাঁদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন

অভিযোগের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মিজানুর রহমান মিজান। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁর পরিবারের সদস্যরা ফিউচার ড্রিম বিল্ডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রতিষ্ঠানটির প্রচারসামগ্রী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, মিজানুর রহমানের দুই ভাই প্রতিষ্ঠানটির বিপণন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়ে পরবর্তীতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভবন নির্মাণ ও ফ্ল্যাট বিক্রির কার্যক্রম বিস্তৃত হয়। মোহাম্মদপুরের বসিলা-ওয়াশপুর, মিরপুর-১-এর গৈলারটেক, উত্তরা দিয়াবাড়ি এবং সাভার ডিওএইচএস-নবীনগরসহ বিভিন্ন এলাকার ঠিকানা প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত—এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে কোম্পানির মালিকানা, পরিচালনা, আর্থিক লেনদেন এবং প্রকৃত ব্যবসায়িক ভূমিকা যাচাই করা প্রয়োজন।

আবুল বাসার ও গুলনাহারকে ঘিরেও অভিযোগ

গণপূর্তের সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) আবুল বাসারের বিরুদ্ধে ডালাস ডেভেলপারস অ্যান্ড প্রপার্টিজ লিমিটেড-এর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁর ভাই ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ-উল আলমের মাধ্যমে ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, আবুল বাসারের স্ত্রী সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) গুলনাহারের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নথি, মালিকানা কাঠামো এবং আর্থিক লেনদেন যাচাই করা প্রয়োজন।

আব্দুর রউফের বিরুদ্ধেও আবাসন ব্যবসার অভিযোগ

উপসহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) আব্দুর রউফের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন ভবনের ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির বিষয়ে সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং আবাসন ব্যবসায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় কোনো কর্মকর্তা যদি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক ব্যবসায় প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখেন, তাহলে সেখানে সরকারি দায়িত্বের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থের সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

আনোয়ার খান আনুকে ঘিরে ভিন্ন অভিযোগ

উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার খান আনুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন সাভার গণপূর্ত ডিভিশনে কর্মরত থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মূল্যায়ন ও জমি-সংক্রান্ত কার্যক্রমে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

এ ছাড়া সাভার এলাকার সরকারি জমিতে দোকানপাট ভাড়া বা পজিশন দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর বিরুদ্ধে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনো প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায়নি।

মূল প্রশ্ন আচরণবিধি ও স্বার্থের সংঘাত

সরকারি কর্মচারীর ব্যবসা-বাণিজ্যে সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে প্রচলিত আচরণবিধিতে বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট পাঁচ প্রকৌশলী বা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার অভিযোগ সত্য হলে তাঁরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়েছিলেন কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষ করে কোনো সরকারি কর্মকর্তা তাঁর দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত খাতের কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকলে স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টি সামনে আসতে পারে। তাই শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কোম্পানির মালিকানা, পরিচালক বা অংশীদারিত্ব, ব্যাংক লেনদেন, সম্পত্তি, ব্যবসায়িক চুক্তি এবং ফ্ল্যাট বিক্রির নথি পর্যালোচনা করা জরুরি।

অভিযোগের নিষ্পত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

অভিযোগকারীরা বলছেন, গণপূর্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কি না—এ বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পদ বিবরণী, কোম্পানির মালিকানা ও পরিচালক তালিকা, ব্যবসায়িক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের নথি যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলে বিষয়টি দীর্ঘদিন অভিযোগের পর্যায়ে ঝুলিয়ে না রেখে প্রমাণভিত্তিক তদন্ত করা উচিত। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অবসান—দুই ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্তেই

এ পর্যন্ত আলোচিত অভিযোগগুলোর কোনোটি আদালত বা সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য এখানে নেই। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে সরকারি দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মকর্তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বেসরকারি ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন কি না, থাকলে সে বিষয়ে অনুমোদন ছিল কি না এবং সরকারি দায়িত্বের সঙ্গে ওই ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার কোনো স্বার্থের সংঘাত তৈরি হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত ও নথিভিত্তিক যাচাই।

ফলোআপ প্রতিবেদনের মূল প্রশ্ন এখন একটাই—অভিযোগ, নাকি প্রমাণ?

আর সেই উত্তর বেরিয়ে আসতে পারে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নথি, সরকারি রেকর্ড, সম্পদ বিবরণী ও আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছ পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে।




সাইফ আলী খানকে হত্যাচেষ্টার দায় স্বীকার

বিনোদন ডেস্ক : বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের ওপর হামলার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। আলোচিত এই হামলার দায় আদালতের কাছে স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। সেই সঙ্গে নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করে সাজা কমানোর আকুতি জানিয়েছেন তিনি।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সাইফ আলী খানের বাসভবনে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন শরীফুল। সেখানে তাকে দেখে ফেললে তিনি ধারাল অস্ত্র দিয়ে সাইফের ওপর একাধিকবার ছুরিকাঘাত চালান। ঘটনার দুই দিন পর পুলিশ থানে এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক পর্যায়ে শরীফুল নিজের অপরাধ অস্বীকার করেছিলেন। আদালতে হাজির করা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি সাইফের বাড়িতে প্রবেশ করেননি এবং তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

তবে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর গতকাল শুক্রবার মুম্বাইয়ের বিচারক মাহেশ রামরাওয়ের সেশন আদালতে হাজির হয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন শরীফুল। তিনি সাইফের ওপর হামলার কথা সরাসরি স্বীকার করেন। তার আইনজীবী ভিপুল দুসিং জানান, শরীফুল তার কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত ও অনুতপ্ত, আর সে কারণেই আদালতের কাছে দায় স্বীকার করে কম শাস্তির আবেদন করেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, শরীফুলের বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাতে অপরাধ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। মামলাটির বিচার কাজ একদমই প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা অবস্থায় এই দায় স্বীকারের ঘটনাটি ঘটল।




আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ এবং ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।’

সরকারের পক্ষ থেকে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমিত সম্পদের মধ্যেও আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে আপনাদের পাশে থাকার। যে অপূরণীয় ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, তা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও আমরা আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’

শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

গুম-খুনের শিকার পরিবার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জন সদস্যের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা এমন কিছু মানুষকে স্মরণ করছি, যাদের আজ আমাদের মাঝে থাকার কথা ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তারা নেই। তাঁদের এই মহান ত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশের ২০ কোটি মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আজ যারা আমাদের মধ্যে অনুপস্থিত তারা কোথায় কি অবস্থায় আছে একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন। আমাদের উচিত হবে দু’হাত তুলে আল্লাহর দরবারে তাদের জন্যে দোয়া করা যাতে আল্লাহ সে মানুষগুলোকে সর্বোচ্চ ভালো অবস্থায় রাখেন।’

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বাধীনতাত্তোর বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মদানকারীদের কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন সময়ে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিবর্গ এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্তদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল-এই সরকার তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। হয়তো বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সবকিছু সম্ভব হয় না, কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে বড় কিছু অর্জন করতে গিয়ে যারা বড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তারা অনেকেই আজ আমাদের মাঝে নেই। যারা আছে তাদের বলবো, আপনারা এ দেশের মানুষের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে, আপনারা যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে নিজেদের জীবন বাজি রেখেছেন, সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে।’

সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে সরকারের কাজের মূল প্রেরণা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলতে পারেন সরকার এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আমি বলব-আপনাদের এই ত্যাগ, সমর্থন ও সহযোগিতার কারণেই সরকার পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার সাহস পাচ্ছে। আপনারাই আমাদের শক্তি ও উদ্দীপনার মূল উৎস।’

শহীদ পরিবারের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও চাই আপনারাও আমাদের সহযোগিতা করবেন। আমাদের উৎসাহ দেবেন। যাতে আমরা শহীদসহ সকল আত্মত্যাগী গণতান্ত্রিক যোদ্ধা যারা আছেন তাদের যে প্রত্যাশা দেশ ও জাতিকে নিয়ে সে প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে পারি। আপনার সর্বাত্মক সমর্থন যেনো আমরা পাই।’

অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।