ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন: ত্যাগী নেতার হাতে দলের আস্থা ও আশার প্রতীক

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ঢাকা-১৫ আসনে তাদের প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দিয়েছে।  
সম্প্রতি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে তার নাম সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। 
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মিল্টনের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়।

মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মিরপুর, পল্লবী, কাঁচাবাজার, দারুস সালাম ও রূপনগর এলাকায় আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুলের মালা পরিয়ে দেন প্রিয় নেতা মিল্টনের গলায়। পুরো এলাকাজুড়ে স্লোগান ওঠে—
“ঢাকা-১৫ চাই মিল্টনের নেতৃত্বে!”

দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও মাঠসঙ্গী এই নেতা বহু বছর ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।
২০১৪, ২০১৮ সালের নির্বাচনসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে বলছেন,
“এই মনোনয়ন হচ্ছে ত্যাগী নেতৃত্বের প্রতি দলের আস্থার প্রতিফলন।”

মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন—

“এটি শুধু আমার নয়, ঢাকা-১৫ আসনের প্রতিটি নেতাকর্মীর পরিশ্রমের ফসল।
আমি জনগণের ভোটে জাতীয়তাবাদী চেতনার বিজয় নিশ্চিত করতে চাই।”

মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তার নির্বাচনী কার্যালয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রচার-প্রচারণা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও টিম গঠনসহ নানা কার্যক্রম চলছে জোরেশোরে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে মিল্টনের নেতৃত্ব নিয়ে দেখা যাচ্ছে আগ্রহ ও উৎসাহ।

তৃণমূল নেতারা আশাবাদী, মিল্টনের নেতৃত্বেই বিএনপি ঢাকা-১৫ আসন পুনরুদ্ধার করবে। তাদের বিশ্বাস—
“জনগণের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই হবে দলের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

চূড়ান্ত মনোনয়নের মধ্য দিয়ে এখন স্পষ্ট হয়েছে,
ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তার নেতৃত্বে মাঠে নেমে পড়েছে দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা, ফিরে এসেছে ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আশা, আস্থা ও পরিবর্তনের প্রত্যাশা।




ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক, তৃণমূলের ভরসায় নতুন উদ্দীপনা

এসএম বদরুল আলমঃ আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের বিভিন্ন আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১৬ আসনে (পল্লবী, রূপনগর, মিরপুর-১১, ১২, ১৪ ও ১৫ এর কিছু অংশ) বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রার্থী হিসেবে আমিনুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আমিনুল হক দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতিতে নিবেদিতপ্রাণ, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী নেতা হিসেবে কাজ করছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়গুলোতে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতারা আমিনুল হককে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, মাঠপর্যায়ে তাঁর জনপ্রিয়তা এবং কর্মীদের একতাবদ্ধ প্রচেষ্টা বিএনপিকে ঢাকা-১৬ আসনে জয়ের পথে এগিয়ে নেবে। মহানগরের এক সিনিয়র নেতা বলেন,
আমিনুল ভাই আমাদের দলের নির্ভরযোগ্য মুখ। তিনি সব সময় তৃণমূলের সঙ্গে ছিলেন, তাই জনগণের ভালোবাসা তাঁর প্রতি গভীর।

স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও আমিনুল হককে ঘিরে আশাবাদ দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন,
যিনি আন্দোলনের দিনেও পাশে ছিলেন, তিনিই আমাদের প্রার্থী — এটাই তৃণমূলের বিজয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই সিদ্ধান্তে ঢাকা উত্তর অঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।

মনোনয়ন পাওয়ার পর আমিনুল হক বলেন,

“আমি কৃতজ্ঞ আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি। তাঁর বিশ্বাস ও দলের ভালোবাসা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি জনগণের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও জানান, তাঁর নির্বাচনী লক্ষ্য হবে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা গঠন, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তৃণমূলের শক্তিকে কাজে লাগানো

ইতিমধ্যে ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। শুরু হয়েছে উঠান বৈঠক, পোস্টার ও ব্যানার তৈরির কাজ, আর বিভিন্ন ইউনিটে কর্মী সভার প্রস্তুতি।

সবমিলিয়ে, বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক এখন এই আসনের রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে। তৃণমূলের একতা, জনআস্থা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাঁকে এই নির্বাচনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরেছে।




তাওবায় আত্মার নবজন্ম হয়

জীবনের প্রতিটি মোড়ে মানুষ হোঁচট খায়, কখনো প্রবৃত্তির টানে, কখনো অজ্ঞতার অন্ধকারে। কিন্তু যে হৃদয় ভুল স্বীকারে লজ্জিত হয়, যে চোখ আল্লাহর দরবারে কান্নায় ভিজে যায়; সেখানেই ফুটে ওঠে মানবতার সবচেয়ে পবিত্র সৌন্দর্য। কারণ আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না; তাঁর রহমত সীমাহীন, তাঁর ক্ষমা আসমান ও জমিনের চেয়েও প্রশস্ত। মানুষ যখন অনুতাপে ফিরে আসে, তখন সে শুধু পাপ থেকে মুক্ত হয় না; বরং আল্লাহর ভালোবাসার ছায়াতলে আশ্রয় পায়।

মানুষ ভুল করে, কিন্তু ফেরে না সবাই : ভুল করা বা গুনাহে লিপ্ত হওয়া মানুষের জন্মগত স্বভাব। কিন্তু ভুল বুঝে তাওবা করে ফেরত আসাটাই মানুষের সবচেয়ে বড় গুণ। ইসলামের দৃষ্টিতে পাপ নিজে যতটা ভয়াবহ, তার চেয়েও ভয়াবহ হলো তাওবা থেকে বিমুখ থাকা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলুন, হে আমার বান্দারা, যারা নিজেদের ওপর সীমা লঙ্ঘন করেছ! তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করেন।’
(সুরা : জুমার, আয়াত : ৫৩)

এই আয়াত মানবজীবনের জন্য এক বিরাট আশার বার্তা। এখানে আল্লাহ সবার জন্য তাঁর অপরিসীম দয়ার দরজা খুলে দিয়েছেন। পাপী, অবাধ্য, এমনকি যে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছে তার জন্যও।

তাওবায় আত্মার নবজন্ম হয় : তাওবা শুধু ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলার নাম নয়, এটি হৃদয়ের ভেতরে এক আত্মিক বিপ্লব। ইমাম নববী (রহ.) বলেন, তাওবার মূল শর্ত তিনটি—পাপ থেকে অবিলম্বে বিরত থাকা, অতীতের জন্য অনুশোচনা করা, ভবিষ্যতে না করার দৃঢ় অঙ্গীকার করা। যে তাওবা এই তিন শর্তে সম্পন্ন হয়, সেটিই হৃদয়কে নবজীবন দেয়।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে তাওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তার মন্দ কাজগুলোকে সৎকর্মে পরিণত করে দেন।’ (সুরা : আল-ফুরকান, আয়াত : ৭০)

তাওবা তাই শুধু ক্ষমা নয়, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে পাপের কৃষ্ণগহ্বর থেকে সওয়াবের আলোক মিনারে পৌঁছার এক অপূর্ব সৌন্দর্যময় পরিবর্তন।

আল্লাহর ভালোবাসা অর্জনের সহজতম পথ : মহান আল্লাহ তাওবাকারীদের প্রতি শুধু দয়া করেন না, বরং ভালোবাসেনও। পবিত্র কোরআনে এসেছে ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং আত্মশুদ্ধি অর্জনকারীদেরও ভালোবাসেন।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২২২)

মহানবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবায় ততটাই আনন্দিত হন, যতটা আনন্দিত হয় সেই মানুষ, যে মরুভূমিতে উট হারিয়ে ফেলে এবং হঠাৎ সেটি ফিরে পায়।’

(মুসলিম, হাদিস : ২৭৪৭)

নবীদের তাওবায় বিনয়ের শিক্ষা : নবীরা ছিলেন নিষ্পাপ, তবু তাঁরা বারবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন। এটি ছিল তাঁদের বিনয়, তাঁদের আল্লাহভীতি। মহানবী (সা.) বলেন, ‘হে মানুষ! তোমরা তাওবা করো। আমি নিজে দিনে সত্তরবার তাওবা করি।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩০৭)

একজন নিষ্পাপ নবীর এই তাওবা আমাদের শেখায় যে তাওবা শুধু পাপীর দায়িত্ব নয়, বরং আল্লাহপ্রেমীদের নিত্যচর্চা।

আল্লাহর রহমত সীমাহীন : আল্লাহর রহমতের কোনো সীমানা নেই। এক হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর রহমত ১০০ ভাগ। এর মধ্যে এক ভাগ পৃথিবীতে নাজিল করেছেন, যার কারণে মা সন্তানকে ভালোবাসে, পশু তার বাচ্চাকে দয়া করে। বাকি ৯৯ ভাগ তিনি সংরক্ষণ করে রেখেছেন কিয়ামতের দিনের জন্য।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৭৫৩)

এমন রহমত যাঁর, তাঁর দরজায় ফিরে আসা লজ্জার নয়, বরং সম্মানের।

ভুল থেকে না ফেরা অন্তরের জন্য অন্ধকার অধ্যায় : পাপ নয়, বরং পাপের ওপর অটল থাকাই মানুষকে ধ্বংস করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে তাওবা করে না, তারাই তো জালিম।’

(সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ১১)

অর্থাৎ ভুল হয়ে যাওয়া বিপদের কারণ নয়, বরং ভুলের মধ্যে গা ভাসানোই প্রকৃত অন্যায়। যে ভুল থেকে ফিরে আসে, সে আলোর পথের যাত্রী। আর যে অহংকারে ফেরে না, সে অন্ধকারে আবদ্ধ।

তাই মুমিনের উচিত গুনাহ হয়ে গেলে তাওবা করে মহান আল্লাহর দরবারে ফিরে আসা। এটি এক আত্মিক যাত্রা, যেখানে মানুষ নিজের অহংকার ভেঙে প্রভুর দরজায় মাথা রাখে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে তাওবা করে, সে এমন, যেন তার কোনো পাপই ছিল না।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪২৫০)

তাওবা তাই শুধু ক্ষমা নয়, এটি এক নতুন পরিচয়, এক নবজীবন।




শিগগিরই আমাদের সারা বছরের একটা আমলনামা প্রকাশ করব : বিডা চেয়ারম্যান

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, সব সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু সদিচ্ছার কোনো ত্রুটি ছিল না। আমরা শিগগিরই আমাদের সারা বছরের একটা আমলনামা (রিপোর্ট কার্ড) প্রকাশ করব।

সোমবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। তার এই পোস্ট নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

ফরেইন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) এর একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লেখেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গুণ হলো শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাউন্স ব্যাক করার অদ্ভুত ক্ষমতা। নিচের পরিসংখ্যানটি তার দারুণ একটা প্রতিফলন। সাধারণত গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ প্রচণ্ডভাবে হ্রাস পায়। কিন্তু আমরা দেখছি উল্টা। সঠিক ইকোনমিক পলিসি সেট করা থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, ইত্যাদি সংস্থার আন্তরিকতা, আমাদের প্রাইভেট সেক্টরের অদম্য স্পৃহা, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটা হয়েছে।

তিনি আরও লেখেন, বিডা-বেজা-পিপিপি অথরিটিতেও আমরা খালি প্রেজেন্টেশান বানাইনি, বিনিয়োগকারীদের সাহায্য করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। সব সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু সদিচ্ছার কোনো ত্রুটি ছিল না। আমরা শিগগিরই আমাদের সারা বছরের একটা আমলনামা (রিপোর্ট কার্ড) প্রকাশ করব।

আশিক চৌধুরী আরও লেখেন, সমালোচনা আমাদের প্রাপ্য। তারপরও যারা সারাবছর ধরে আমাদের সাহস ও উৎসাহ যুগিয়ে গেছেন, তাদের অনেক ধন্যবাদ। আর আমার ফেসবুকসর্বস্ব জার্নালিস্ট শুভাকাঙ্ক্ষীরা আপাতত একটু চোখ বন্ধ করে রাহুল দেব বর্মন এর সুরে গুনগুন করতে পারেন:
হুম এ কি হল, কেন হল,
কবে হল, জানি না
শুরু হল, শেষ হল,
কী যে হল, জানি না তো!

পোস্টের শেষে পুনশ্চ লিখে তিনি বলেন, ‌’সামনে নির্বাচন। নির্বাচনের ঠিক আগে এফডিআই স্বভাবত কারণেই আবার ড্রপ করবে। পরে আবার ব্যালান্সড হয়ে যাবে। আমাদের মানসিকভাবে আরেকটু লং গেম খেলতে হবে।’




আজকের স্বর্ণের বাজারদর

বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৬৮০ টাকা। নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা। শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন দাম রবিবার (২ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। আজ মঙ্গলবারও (৪ নভেম্বর) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ​​।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের​​​​​​​ (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বর্ণের​​​​​​​ দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

স্বর্ণের​​​​​​​ আজকের বাজারদর—

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা
২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ টাকা
১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮১ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮০ টাকা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বর্ণের​​​​​​​ বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।

তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।




সূচক বেড়ে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

চলতি সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস আজ মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১০৭১ ও ১৯৬৪ পয়েন্টে রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ৮২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এদিন এসময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৬টির, কমেছে ৪৩টির এবং অপরির্বতিত রয়েছে ৮০টি কোম্পানির শেয়ার।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো: সামিট পোর্ট অ্যালায়েন্স, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, মনোস্পুল পেপার, মুন্নু ফেব্রিকস, খান ব্রাদার্স, কে অ্যান্ড কিউ, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, প্রগতি লাইফ, ব্র্যাক ব্যাংক ও এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ।

এর আগে, আজ লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৫ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে আরও ৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর অর্থাৎ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ২২৪ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এ সময়ের ১৪টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি কোম্পানি শেয়ারের দর।




বাবা নয়, শুটিংয়ে শাহরুখকে ‌‘স্যার’ বলে ডাকেন আরিয়ান

সম্প্রতি ‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’ সিরিজ দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটে শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানের। সিরিজে স্বল্প সময়ের উপস্থিতি ছিল কিং খানের। ছেলের পরিচালনায় বাবা, শুটিং সেটেও কি শাহরুখকে ‘বাবা’ বলেই ডাকতেন আরিয়ান?

এ প্রশ্নের জবাব মিলেছে কোরিওগ্রাফার মুদাসসের খানের সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। তিনি জানান, ‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’ সিরিজে কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখেছেন শাহরুখ ও আরিয়ানকে। তার কথায়, শাহরুখ স্যার তখন ভ্যানিটিতে ছিলেন, ফোনে কথা বলছিলেন। আমি আর আরিয়ান অপেক্ষা করছিলাম। কথাবার্তা শেষ হলে আরিয়ান তাকে বলল, স্যার, গানের বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলাম।

তিনি বলেন, কাজের জায়গায় আরিয়ান কখনো ‘বাবা’ শব্দটি ব্যবহার করেন না। পুরো সময় পেশাদার আচরণ বজায় রাখেন এবং শাহরুখকে ‘স্যার’ বলেই সম্বোধন করেন। আমি আরিয়ানের জায়গায় থাকলে নিশ্চয়ই ‘বাবা’ বলতাম, কিন্তু ওর বিনয়ী ব্যবহার সত্যিই প্রশংসনীয়।

আরিয়ান খান পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’–এ অভিনয় করেছেন ববি দেওল, লক্ষ্য, রাঘব জুয়াল ও অন্যা প্রমুখ। এতে বলিউডের তিন খানের (শাহরুখ, সালমান, আমির) স্বল্প উপস্থিতি দর্শক নজর কেড়েছিল।




বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়ন তালিকায় নেই শিল্পীরা

আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এর মধ্যে আজ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছে বিএনপি।

সোমবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাম ঘোষণা করেন। নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি দলীয় জরিপে এগিয়ে থাকা অনেকের নাম থাকলেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার তালিকায় দেখা যায়নি কোনো শোবিজ শিল্পীকে।

অথচ বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় অভিনয় অঙ্গনের মানুষের চেয়ে সংগীতাঙ্গনের মানুষের নামই বেশি উচ্চারিত হয়েছে। যাদের নিয়ে বেশ আলোচনা ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, মনির খান, রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ও অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় উঠে এসেছে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর, নাজমুন মুনিরা ন্যান্‌সি, চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী হেলাল খান ও শিবা সানু বিএনপির হয়ে নির্বাচনে লড়তে পারেন। কিন্তু মনোনয়ন তালিকায় কোথাও তাদের কারো নাম পাওয়া যায়নি।




আসছে ‘গডজিলা মাইনাস জিরো’

ফিরে আসছে দানব রাজা গডজিলা—আরও ভয়ংকর, আরও বিশাল আকারে। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া বহুল প্রশংসিত ছবি ‘গডজিলা মাইনাস ওয়ান’-এর পর থেকেই দর্শক অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন সিক্যুয়েলের জন্য। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল।

সোমবার তোহো স্টুডিয়োর অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডল ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে নতুন সিনেমা ‘গডজিলা মাইনাস জিরো’-এর টিজার। টিজার মুক্তি পেয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। ভক্তদের ধারণা, এবার আরও বৃহৎ পরিসর ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে গডজিলা ফিরবে এক নতুন মহিমায়।

প্রথম ছবির মতোই সিক্যুয়েলটির দিকনির্দেশনা, চিত্রনাট্য ও ভিএফএক্সের দায়িত্বে আছেন তাকাশি ইয়ামাজাকি। তাঁর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন শিরোগামি—এই দু’জনই ‘গডজিলা মাইনাস ওয়ান’-এর জন্য পেয়েছিলেন ৯৫তম অ্যাকাডেমি পুরস্কার। প্রযোজনা করছে তোহো স্টুডিয়ো ও রোবট, যারা আগের ছবিরও প্রযোজক ছিল।

‘গডজিলা মাইনাস ওয়ান’ মুক্তির পর বিশাল সাড়া ফেলেছিল বিশ্বজুড়ে। জাপান ছাড়াও আমেরিকায় মুক্তি পেয়ে ছবিটি বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য অর্জন করেছিল। যুদ্ধোত্তর জাপানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সেই ছবিতে দেখানো হয়, কীভাবে বিধ্বস্ত এক জাতি নতুন করে মুখোমুখি হয় দানবীয় হুমকির।

তবে ‘গডজিলা মাইনাস জিরো’ সরাসরি আগের ছবির সিক্যুয়েল হবে নাকি সম্পূর্ণ নতুন গল্প নিয়ে আসবে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি তোহো




সাগর জাহানের নতুন ধারাবাহিক ‘বিদেশ ফেরত’

বিদেশ থেকে ফিরে আসা মানুষের জীবন আর প্রেম-বিয়ের নানা টানাপড়েন নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘বিদেশ ফেরত’।

নাটকটি দেখা যাবে আরটিভিতে। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নাটকটি প্রচারিত হবে। এটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন সাগর জাহান।

নাটকের চিত্রনাট্যে দেখা যাবে- পরাণপুর গ্রামের বকুল মালয়েশিয়ায় তিন বছর কাটিয়ে হাতে শুধু একটি পানির বোতল নিয়ে গ্রামে ফেরেন। গ্রামে আগে মানুষ তাকে ‘ফাটাফাটি বকুল’ নামে ডাকত। বিদেশ থেকে ফেরার পর গ্রামবাসী এখন তাকে ঠাট্টা করে ডাকে ‘বোতল বকুল’। বকুলকে ভালোবাসে লায়লা, কিন্তু বকুল লায়লাকে বিয়ে করতে চায় না। তাই এক ফন্দি এঁটে গ্রামে সালিশ বসিয়ে বকুল-লায়লার বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিয়ের দিন মালয়েশিয়া থেকে হাজির হয় তরুণী আদিলাহ। সে দাবি করে বকুল তার স্বামী। আর এতে গ্রামজুড়ে শুরু হয় কানাঘুষা ও নতুন ঝামেলা। শুধু বকুল নয়, আমেরিকা ফেরত ‘জ্যাকস’, যার আসল নাম জাকির। তাদের প্রবাসজীবনের ব্যর্থতা, সামাজিক চাপ আর প্রেমঘটিত হাস্যকর পরিস্থিতিতেই এগিয়ে যাবে ধারাবাহিক নাটক ‘বিদেশ ফেরত’।

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জামিল হোসাইন, মুনমুন আহমেদ, সাদ্দাম মাল, মুকিত জাকারিয়া, সাদিয়া কানিজ, আরফান আহমেদসহ অনেকে।