কমলো ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম

ডেস্ক নিউজঃ চলতি জুন মাসে ভোক্তা পর্যায়ে সামান্য কমেছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৯৪০ টাকা থেকে কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৮৫ টাকা। আর যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৮৯ দশমিক ৫০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ৮৬ দশমিক ৯৩ টাকা। নতুন এই দাম আজ সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন থেকে এমনটি জানানো হয়।

এর আগে সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল ১২ কেজিতে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর ১৭ দিন আগে গত ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। সে সময় দুই দফায় ১২ কেজিতে ৫৯৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়।




জামিন পেলেন দীপু মনি, বাকি ৬ মামলার ব্যাপারে রুল জারি

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে একটিতে জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। একই সঙ্গে বাকি ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ডা. দীপু মনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি এবং সহিংসতায় নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগসহ ৩৮টির বেশি মামলা রয়েছে।




বিদ্যুতের খুচরা দাম ১০-১২ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে

ডেস্ক নিউজঃ দেশে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়তে যাচ্ছে। আজ বুধবার বিদ্যুতের নতুন পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার ঘোষণা করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পাইকারি পর্যায়ে প্রায় ১৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১০-১২ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে।

গত এপ্রিলে ও চলতি জুনে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এরই মধ্যে নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরো বাড়বে বলে তৈরি হয়েছে আশঙ্কা।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, কমিশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং নতুন মূল্যহার ঘোষণা করা হবে। আজ বুধবার রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্সে কমিশনের শুনানি কক্ষে বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে বলে গতকাল বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
গত ৩ থেকে ৬ মের মধ্যে বিদ্যুত্ উত্পাদক, সঞ্চালক ও বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলো বিইআরসিতে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম এবং সঞ্চালন মাশুল বাড়ানোর আবেদন করে। গত ২০ ও ২১ মে বিইআরসির গণশুনানিতে রাজনৈতিক নেতা, ভোক্তা অধিকারকর্মী, ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, ভুল পরিকল্পনা ও অপচয়ের দায় সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক ব্যক্তি জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যুত্ ও জ্বালানির দাম না বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিলেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি, উত্পাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান ভর্তুকির চাপ সামলাতেই বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূলত: বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল নীতি, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে এই আমদানি নির্ভরতা ও ব্যয় বৃদ্ধির, দীর্ঘদিনের আর্থিক দায় এবং ভর্তুকির চাপ বেড়েছে। নীতি সংস্কার করে জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাত পুনর্গঠনে সরকারের আরো সময় লাগবে। কিন্তু ইতিমধ্যে তৈরি হওয়া চাপ সামলাতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিকল্প দেখছে না সরকার।
তারা আরো জানান, বিদ্যুতে ভর্তুকি কত পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে তা অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে বিদ্যুত্ বিভাগকে। সে অনুযায়ী বিদ্যুত্ বিভাগ বাজেট খসড়া তৈরি করে বিইআরসিকে জানিয়েছে। ভর্তুকির প্রতিশ্রুত  পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুতের দাম ঘোষণা করবে বিইআরসি। দাম বাড়ানোর পরও সরকারের বার্ষিক ভর্তুকির পরিমাণ থাকবে বিপুল। এছাড়া বিদ্যুত্ খাতে অর্থ ব্যবস্থাপনায় বিইআরসি একটি ফর্মুলা এবং এক গুচ্ছ সুপারিশও প্রদান করতে পারে।
এছাড়া বাংলাদেশ বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিদ্যুতের গড় উত্পাদন খরচ ছিল প্রতি ইউনিট ২ টাকা ১৩ পয়সা। ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ টাকা ১৬ পয়সা। ২০২২ সালে উত্পাদন ব্যয় বেড়ে প্রায় সাড়ে ৮ টাকায় পৌঁছায়। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উত্পাদন ব্যয় প্রায় ১৩ টাকা, যেখানে প্রতি ইউনিটে ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৬ টাকা।
শুনানিতে দেওয়া পিডিবির হিসেবে অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে পিডিবির সম্ভাব্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর বিপরীতে সংশোধিত বাজেটে বিদ্যুত্ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এ পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭১০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। হাতে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ হাজার ২৮৯ কোটি টাকা। অথচ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য অতিরিক্ত ভর্তুকির প্রয়োজন হবে আরো ১৫ হাজার ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
অন্যদিকে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সম্ভাব্য ঘাটতি বেড়ে ৬৫ হাজার ৫৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে বিদ্যুত্ বিভাগ। এর মধ্যে সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত ঘাটতি ধরা হয়েছে ১১ হাজার ২৬৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা।



খানজাহান আলী মাজারের দীঘি থেকে সেই কুমিরকে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজঃ বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সে লক্ষ্যে কুমিরটিকে দীঘি থেকে উঠিয়ে খুলনা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার রাত ১০টায় অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় কুমিরটিকে স্থানান্তরের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।

সভা শেষে তিনি জানান, মাজার এলাকায় আসা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাজার এলাকায় পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, মাজারের দীঘি থেকে কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বুধবার খুলনা থেকে বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাগেরহাটে আসবে।

তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে কুমিরটি ধরার কৌশল, স্থানান্তরের সময় এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় নির্ধারণ করবেন।

উল্লেখ্য গত সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দীঘিতে গোসল করতে নেমে সাত বছর বয়সী শিশু ফাতেমা আক্তার কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়।




আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের সভাপতি হব: খলিলুর রহমান

ডেস্ক নিউজঃ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে মর্যাদাপূর্ণ বিজয়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, তিনি বিশ্বমঞ্চে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের নয়, বরং সমস্ত সদস্য রাষ্ট্রের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নিজের দায়িত্বকালীন সময়ে সকল সদস্য দেশকে সমানভাবে সম্পৃক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগত কোনো মতামতকে তিনি প্রেসিডেন্ট অব দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলি (পিজিএ) হিসেবে নিজের পেশাগত কাজে বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করতে দেবেন না।

মঙ্গলবার (২ জুন) আন্তর্জাতিক এই নির্বাচনে জয়লাভের পর জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রদত্ত এক আনুষ্ঠানিক বক্তৃতায় নবনির্বাচিত সভাপতি খলিলুর রহমান এসব কথা বলেন। অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে সাইপ্রাসের বহুপক্ষীয়তাবিষয়ক বিশেষ দূত আন্দ্রেজ কাকাউরিসকে পরাজিত করে সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান লাভ করেন ৯৯টি ভোট এবং তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আন্দ্রেজ কাকাউরিস পান ৯১টি ভোট। ফলে ৮ ভোটের ব্যবধানে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পেছনে ফেলে গৌরবময় এই জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ। আগামী এক বছর অর্থাৎ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনজুড়ে তিনি এই সভাপতির গুরুদায়িত্ব পালন করবেন।

জাতিসংঘের ওপর বিশ্ববাসীর আস্থা পুনর্প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে নবনির্বাচিত সভাপতি তাঁর বক্তব্যে ছয়টি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ এমন এক সময়ে এসে তার নবম দশকে পদার্পণ করছে, যখন বিভিন্ন দিক থেকে এই বিশ্ব সংস্থার কার্যকারিতা ও আস্থার জায়গাটি বড় ধরনের পরীক্ষার সম্মুখীন। যে সংস্থার মূল লক্ষ্যই ছিল পরবর্তী প্রজন্মকে সংঘাত আর যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা, বর্তমান সময়ে এসেও সেই যুদ্ধ ও সংঘাত বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখে ফেলছে।

খলিলুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান সংকটের কথা তুলে ধরে বলেন, বহুপাক্ষিকতা যখন নানাবিধ প্রতিকূল চাপের মুখে রয়েছে এবং আর্থিক সংকটের কারণে সংস্থাটি তার সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে, ঠিক তখনই এই বৈশ্বিক সংকটগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নিজের কাজের প্রতি সম্পূর্ণ একাগ্র থাকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বিশেষ করে জাতিসংঘে যেসব দেশের প্রতিনিধিদল বা মিশন আকারে ছোট, তাদের সহায়তার জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করাকে তিনি নিজের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করবেন বলে জানান।

ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, আগামী অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে তিনি তাঁর ভিশন স্টেটমেন্ট বা দূরদর্শী ইশতেহারে উল্লিখিত প্রধান ছয়টি অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করবেন। এই ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা; টেকসই উন্নয়ন এবং এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা ত্বরান্বিতকরণ; জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ; মানবাধিকার রক্ষা, মানবিক কর্মকাণ্ড, শরণার্থী ও অভিবাসী ইস্যু পরিচালনা; ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং নবায়নযোগ্য বহুপাক্ষিকতা, ইউএন ৮০ সংস্কার ও একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।




সন্ধ্যার মধ্যে ৪ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশের চার জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।




শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে আসামিরা

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে হাজির করা হয়েছে দুই আসামিকে।

বুধবার (৩ জুন) সকালে অভিযুক্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানিতে আসামিরা তাদের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ, হত্যা এবং অপরাধে সহায়তার অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। বিচার চলাকালে তদন্তে জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হয়। সাক্ষীদের মাধ্যমে এসব আলামত শনাক্ত করে মামলার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন নিহত রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, স্বজন ও প্রতিবেশীরা, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবী এলাকার একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ঘটনার পর বাসার শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। পরে তার স্ত্রীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় এবং একই দিন সন্ধ্যায় ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মামলাটির বিচার কার্যক্রম বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবেন আদালত।




‘শত্রুর কৌশল এখন আমাদের নখদর্পণে’, যুদ্ধবিরতিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং যেকোনো ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)।

মঙ্গলবার ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যদি আবারও সামরিক আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তবে এবার তাদের সম্পূর্ণ ভিন্ন যুদ্ধকৌশল ও ভিন্ন ধরনের অস্ত্রের মুখোমুখি হতে হবে। বিদ্যমান সামরিক সক্ষমতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে শত্রুর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইরান নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইআরজিসি যেকোনো সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

আইআরজিসির এই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির সময়টিকে ইরান তাদের সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করতে এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে অত্যন্ত সফলভাবে ব্যবহার করেছে। পশ্চিমা প্রচারণাকে নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো এই যুদ্ধবিরতির সময়ে আমাদের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৭ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি জোটের আগ্রাসনের জবাবে ইরানের পক্ষ থেকে অন্তত ১০০ দফা পাল্টা আঘাত হানার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন।

মোহেব্বী আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো শত্রুর শক্তি ও কৌশল সম্পর্কে একটি গভীর ও বাস্তবসম্মত ধারণা লাভ করা। এর আগে যা কেবল গোয়েন্দা মূল্যায়ন এবং গণমাধ্যমের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা হতো, এখন তা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা দিয়ে ঝালাই করে নেওয়া হয়েছে। ফলে ইরানি বাহিনী এখন শত্রুপক্ষের সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, অপারেশনাল বেস এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁত জ্ঞান রাখে। শত্রুর আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক সরঞ্জাম এবং তাদের প্রতারণামূলক কৌশল এখন তেহরানের কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট।

ইসলামিক রিপাবলিকের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে—এমন দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এই মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, দেশের যুদ্ধ সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে। শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর প্রচারণার বিপরীতে ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংসও হয়নি এবং এর কার্যক্ষমতাও হ্রাস পায়নি। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হিসেবে তিনি হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিরবচ্ছিন্ন নিয়ন্ত্রণের কথা উল্লেখ করেন। মোহেব্বী বলেন, সাম্প্রতিক আগ্রাসনের পুরো সময়জুড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বিশাল সামরিক বহর ব্যবহার করেও হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণকে বিন্দুমাত্র প্রভাবিত করতে পারেনি। এই কৌশলগত নৌপথের ওপর ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব বজায় রয়েছে, যা মূলত আইআরজিসির শক্তিরই এক অনন্য প্রতীক।




কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও মেসির রুম ঘিরে কৌতূহল

ক্রীড়া ডেস্ক : বিশ্বকাপ সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত আর্জেন্টিনা দল। মাঠের বাইরে দলীয় ক্যাম্পেও চলছে নানা গল্প, ছোট ছোট মুহূর্ত- যা ভক্তদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর মধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির রুম নিয়ে এক মজার বিষয়।

কানসাসে দলের ক্যাম্পে এবারও একাই রুমে থাকছেন মেসি। বিষয়টি নতুন নয় বরং বহুদিন ধরেই এটি তার অভ্যাস। সাবেক সতীর্থ সের্হিও আগুয়েরো জাতীয় দল ছাড়ার পর থেকেই মেসি তার রুমে আর কোনো রুমমেট নেন না। কাতার বিশ্বকাপেও একই নিয়ম মেনেছিলেন তিনি।

দলের অন্যান্য সিনিয়র ফুটবলাররা অবশ্য আগের মতোই রুম ভাগাভাগি করে থাকছেন। মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু রদ্রিগো দে পল রয়েছেন নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গে একই রুমে। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কারণে তাদের এই জুটি বেশ স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে একা রুমে থাকলেও মেসি কখনোই বিচ্ছিন্ন নন। সতীর্থদের কাছে তার রুম যেন এক ধরনের আড্ডাখানা। ফাঁকা সময় পেলেই সেখানে জড়ো হন সবাই- কার্ড খেলা কিংবা গল্পে মেতে ওঠেন দীর্ঘ টুর্নামেন্টের চাপ ভুলে থাকতে।

মেসির রুম নিয়ে আরেকটি বিষয়ও সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে তার রুম নম্বর। কাতার বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন ২০১ নম্বর কক্ষে। সেই সংখ্যা ঘিরে সমর্থকরা ‘২+১=৩’ মিলিয়ে আর্জেন্টিনার তৃতীয় শিরোপার প্রতীক খুঁজে পেয়েছিলেন। এবার কানসাসে মেসির রুম নম্বর ২০২। সেটিও দ্রুত ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। কেউ কেউ মজা করে ‘২+২=৪’ মিলিয়ে সম্ভাব্য চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের ইঙ্গিত খুঁজছেন।

যদিও এ ধরনের ব্যাখ্যার কোনো আনুষ্ঠানিক ভিত্তি নেই, তবুও আর্জেন্টিনা দলের সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে ছোট ছোট বিশ্বাস, রীতি ও মানসিক দিকগুলো যে ভূমিকা রাখে- তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই মেসির রুম নম্বর নিয়েও কৌতূহল আর আলোচনা থামছে না।




বিতর্কের মুখে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে রদবদল, সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি

বিনোদন ডেস্ক : বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে অবশেষে ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় বড় ধরনের সংশোধন এনেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। গত ২৯ জানুয়ারি চূড়ান্ত বিচারকাজ শেষে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হলেও বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরি নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় পুরো তালিকাটি পর্যালোচনা করা হয়।

দীর্ঘ রিভিউ প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২ জুন) মন্ত্রণালয় থেকে একটি সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে আজীবন সম্মাননা এবং সেরা চিত্রনাট্য বিভাগে আনা হয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

জানা যায়, জানুয়ারির প্রজ্ঞাপনে আজীবন সম্মাননার জন্য বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক আবদুল লতিফ বাচ্চুর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, আজীবন সম্মাননার জন্য কেবল জীবিত ব্যক্তিদেরই বিবেচনা করার নিয়ম রয়েছে। পুরস্কার ঘোষণার আগেই এই দুই গুণী ব্যক্তিত্ব প্রয়াত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত মার্চ মাসে জুরি বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে মৌখিকভাবে যোগাযোগ করে মতামত নেয় মন্ত্রণালয়। নতুন প্রজ্ঞাপনে সেই ভুলের সংশোধন করে জানানো হয়েছে, চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তারেক মাসুদ ও আবদুল লতিফ বাচ্চুকে মরণোত্তর পুরস্কারে ভূষিত করা হবে। আর ২০২৩ সালের আজীবন সম্মাননা যৌথভাবে পাচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনয়শিল্পী শবনম এবং গুণী চলচ্চিত্র সম্পাদক ফজলে হক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জুরি বোর্ডের শুরুর সুপারিশেই অভিনেত্রী শবনমের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আজীবন সম্মাননার পাশাপাশি সেরা চিত্রনাট্য বিভাগেও একটি বড় জালিয়াতির অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিয়েছে মন্ত্রণালয়। ২৯ জানুয়ারির প্রজ্ঞাপনে ‘রক্তজবা’ চলচ্চিত্রের জন্য নিয়ামুল মুক্তাকে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। তবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরপরই অভিযোগ ওঠে যে, নিয়ামুল মুক্তা আদতে এই সিনেমাটির চিত্রনাট্য রচনাই করেননি। এই গুরুতর অভিযোগটি খতিয়ে দেখে এবং যথাযথ পর্যালোচনা শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে নিয়ামুল মুক্তার নাম বাদ দিয়ে এই বিভাগে প্রকৃত চিত্রনাট্যকার তাসনীমুল হাসানের নাম ঘোষণা করেছে।

এর মাধ্যমে বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে প্রকৃত পেশাদারদের কাজের স্বীকৃতি নিশ্চিত করল মন্ত্রণালয়।