লাইফ সাপোর্টে থাকা কারিনার জন্য দোয়া চাইলেন বাবা কায়সার হামিদ

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে ও জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভোগার পর হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শোনা যাচ্ছিল, লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন।

বিষয়টি শনিবার (৯ মে) গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কারিনা কায়সারের বাবা জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ। কারিনার অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (৮ মে) রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

কায়সার হামিদ বলেন, ‘অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। ওর আগে একটু ফ্যাটি লিভার ছিল, কিন্তু অবহেলা করেছে, ওষুধ ঠিকমতো খায়নি। তো হঠাৎ ইনফেকশন হয়ে গেছে, এর মধ্যে আবার হেপাটাইটিস এ–তে আক্রান্ত হয়েছে। আইসিইউতে ছিল, গতকাল (শুক্রবার) লিভার ফেইলিউর হলে লাইফ সাপোর্টে দেওয়া হয়েছে।’

মেয়ের জন্য দোয়া চেয়ে কায়সার হামিদ আরও বলেন, ‘সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন।’

উল্লেখ্য, কনটেন্ট ক্রিয়েশনের পাশাপাশি অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কারিনার পরিচিতি আছে। তিনি ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং ‘৩৬-২৪-৩৬’ নামের চরকি অরিজিনাল সিরিজের মাধ্যমে পরিচিতি পান।




জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না

ডেস্ক নিউজ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
আগামীকাল (১০ মে) পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (৯ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে সরকারপ্রধান এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনমনে শান্তি এবং স্বস্তি ফিরেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র এবং সমাজ দেখতে চায়, যেখানে জানমালের ভয় থাকবে না; অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের ভয় থাকবে না। এমন একটি প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক।’
তিনি বলেন, ‘একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তাহলে পুলিশের দায়িত্ব পালনের পথ অনেকটা সহজ এবং সুগম হয়ে যায়।’
তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। প্রতিবছর অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ হয়ে উঠুক নিজেদেরকে জনগণের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠার অঙ্গীকার পূরণের একটি মুহূর্ত। বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা, স্বস্তি না থাকলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এজন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার। এই প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি প্রয়োজনে ও সংকটে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, একটি উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সক্ষম।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু দেশেই নয়, বাংলাদেশ পুলিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের গৌরবোজ্জ্বল অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতি একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। তাই পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।’
পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।



আমরা কারিকুলাম ও সিলেবাস চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করছি: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ শুধু জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক প্রথাগত শিক্ষা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ জন্যে আমরা কারিকুলাম ও সিলেবাস চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করছি বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির ব্যবস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নেই। এই শূন্যতা দূর করতে হবে। আমাদের বিশাল জনশক্তিকে আমরা দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে চাই, যারা সরাসরি কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে।’

ড. মিলন বলেন, ‘আমরা গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতে এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। তবে এটি অর্জনে যা যা প্রয়োজন, বর্তমান তারেক রহমানের সরকার সবই করবে। শিক্ষকদের উদ্দেশে আমার আহ্বান—শুধু বছর শেষে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীনের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত এবং খুব বেশি ব্যয়বহুল নয়। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে সফলভাবে পড়াশোনা করছে।’

তিনি বলেন, বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা সরকার থেকে ‘তৃতীয় ভাষা’ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছি। বিশেষ করে চীনা ভাষা শিখলে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বিশাল দুয়ার উন্মোচিত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার ইতিমধ্যে পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে পরিবর্তন আনছে। চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক; বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ; বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

ফোরামে দু’দেশের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং চীন ও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




ওমান উপসাগরে তেলের ট্যাংকার জব্দ করল ইরান, দুই জাহাজ অচল করার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ওমান উপসাগরে একটি তেলের ট্যাংকার জব্দ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। একই সময়ে ইরানি পতাকাবাহী দুটি ট্যাংকার অচল করে দেওয়ার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (৮ মে ) উভয় পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। 

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে অঞ্চলজুড়ে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আলোচনা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম ফারস জানিয়েছে, ওমান উপসাগরে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ‘ওশান কোই’ নামের একটি ট্যাংকার জব্দ করা হয়েছে। তেহরানের দাবি, জাহাজটি ইরানের তেল রপ্তানি ও জাতীয় স্বার্থে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল।

এ ঘটনায় জাহাজে ইরানি বাহিনীর সদস্যদের ওঠার একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি। বার্বাডোজে নিবন্ধিত ট্যাংকারটি বর্তমানে ইরানি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ইরানি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ইরানি পতাকাবাহী দুটি ট্যাংকারকে অচল করে দেওয়া হয়েছে। সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলি কুপার এক বিবৃতিতে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধ কার্যকর রাখতে মার্কিন বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বাহিনী তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে হামলা চালিয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র একটি তেলের ট্যাংকার ও আরেকটি জাহাজে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এতে অন্তত ১০ ইরানি নাবিক আহত হয়েছেন এবং পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন।

ইরান আরও অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপের বেসামরিক এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও হরমুজের পূর্বাঞ্চল ও চাবাহার বন্দরের দক্ষিণে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।

তবে ট্রাম্প এ সংঘর্ষকে ‘সামান্য গোলাগুলি’ বলে উল্লেখ করে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ নাকচ করেছেন।

এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে দেওয়া প্রস্তাবের বিষয়ে তেহরানের আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ওয়াশিংটন।

ওয়াশিংটনে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগ নিয়েও সেখানে আলোচনা হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে ইরানের বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত।

এদিকে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর ঘিরে নতুন নৌ-নীতি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে তেহরান। “পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি” নামে একটি নতুন কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী সব জাহাজকে আগেভাগে ইরানকে ই-মেইলের মাধ্যমে মালামাল, গন্তব্য ও উৎপত্তি সম্পর্কিত তথ্য জানাতে হবে। একই সঙ্গে চলাচলের জন্য অনুমতি ও নির্ধারিত ফি পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করতে চাইছে ইরান।

সূত্র: আল–জাজিরা




ইউক্রেনকে অস্ত্র ও সমর্থন দিচ্ছে ন্যাটো: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইউক্রেনকে অস্ত্র ও সমর্থন দিচ্ছে ন্যাটো অভিযোগ করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোর রেড স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের ভাষণে ইউক্রেন যুদ্ধকে ন্যায্য বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, রাশিয়া একটি ন্যায্য যুদ্ধে লড়ছে এবং ইউক্রেনকে ন্যাটো সমর্থিত আগ্রাসী শক্তি হিসেবে অভিহিত করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় স্মরণে আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানটি। শত শত সেনা সদস্যের উপস্থিতিতে এটি অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ছিলেন কিছু বিদেশি অথিতিও। এর আগে রাশিয়া ও ইউক্রেন তিন দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন।

এবারের কুচকাওয়াজে প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার কোনো সামরিক যান দেখা যায়নি। তবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সেনারা রেড স্কোয়ারে মার্চ করেন। ভাষণের শুরুতে পুতিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং পরে ইউক্রেন যুদ্ধকে সেই ঐতিহাসিক লড়াইয়ের সঙ্গে তুলনা করেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, রাশিয়া ন্যাটো জোটের সমর্থিত একটি আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে লড়ছে, তবু তাদের সেনারা এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি রাশিয়ার বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সামরিক কর্মীদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় অবদানের জন্য প্রশংসা করেন। পুতিন বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ জনগণের হাতেই নির্ভর করছে।

ভাষণের পর কামানের গুলি ও সামরিক ব্যান্ডের সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। এ ছাড়া লাওসের প্রেসিডেন্ট ও মালয়েশিয়ার রাজাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের পর রুশ টিভিতে যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা সেনাদের দৃশ্যও সম্প্রচার করা হয়। গত বছরের তুলনায় এবার কম বিদেশি নেতা অংশ নেন। সূত্র: বিবিসিমস্কো টাইমস




ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে ১৬ দিন, মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি

ডেস্ক নিউজঃ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৭ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন এবং মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি থাকছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এদিন সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। তবে সরকারি অফিসের ছুটিতে পরিবর্তন এলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ এবং ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হবে ২৪ মে থেকে, যা চলবে ৪ জুন পর্যন্ত। ছুটির আগে ও পরে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় স্কুলগুলোতে টানা ১৬ দিনের ছুটি মিলবে।

কলেজ পর্যায়েও ঈদের মূল ছুটি ১২ দিনের হলেও সাপ্তাহিক বন্ধ যুক্ত হয়ে মোট ছুটি দাঁড়াবে ১৬ দিনে। অন্যদিকে মাদ্রাসাগুলোতে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও ঈদের ছুটি শুরু হবে ২৪ মে থেকে এবং শেষ হবে ১১ জুন। এর সঙ্গে আগের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা টানা ২১ দিনের ছুটি পাচ্ছে।




‘মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে আসতে দেয়নি ইউনূস সরকার’

ডেস্ক নিউজঃ মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলাদেশের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন। কিন্তু সেই প্রস্তাবে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার  সাড়া দেয়নি বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

সম্প্রতি ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ অনুষ্ঠানে তিনি আরও দাবি করেন,  এই সহায়তা নেওয়া হলে হয়তো কয়েকটি প্রাণ রক্ষা পেত।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী জানান, মাইলস্টোনের ঘটনায় ডা. সামন্ত লাল সেনের পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা তিনি নিজে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘উনি বলেছিলেন, আমি জানি যে একটা বিশাল দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি সহযোগিতা করতে চাই। যেভাবেই হোক না কেন আমি সহযোগিতা করতে চাই। আমি এই মেসেজটা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সাড়া দিল না, সাহায্য নিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি না, সাহায্য নিলে হয়ত কয়েকটা জান বেঁচে যেত। কিন্তু উনারা নেননি। আমি আবারও বলছি, এটা ঘাড়ত্যারামি। বলেছি তো বলেছি, করব না। এই ধরনের অনেক ঘটনা আছে, যেখানে উনাদের একগুঁয়েমির কারণে আমাদেরকে বর্তমানে অনেক জায়গায় ভুগতে হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুলে বিধ্বস্ত হলে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই আগুন নেভানো, আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর এবং বার্ন ইউনিট প্রস্তুত করতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

ডা. সামন্ত লাল সেন বাংলাদেশে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার বিকাশ ও আধুনিকায়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন। দেশে প্রথম বার্ন ইউনিট গড়ে তোলার কৃতিত্বও তার। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী দাবি করেন, এই বক্তব্য দেওয়ার কারণে তাকে সমালোচনার মুখে পড়তে হতে পারে। তবুও সৎ সাহস নিয়ে বিষয়টি সামনে এনেছেন বলে জানান তিনি।




বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণের ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ একা বাইরে চলাফেরার স্বপ্ন থেকে ব্যাটারিচালিত গাড়ি বানিয়ে ফেললেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১৭ বছরের তরুণ ওয়াকিমুল ইসলাম। শনিবার (৯ মে) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সেই ‘এ টু আই স্মার্ট কার’ নিজে চালিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘুরিয়ে দেখালেন এই তরুণ উদ্ভাবক।

ওয়াকিমুল ইসলাম যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি গাড়িটি বানানোর গল্প শোনান। জানান, একসময় তিনি সারাদিন বাড়িতে বসে থাকতেন, একা বাইরে বের হওয়ার উপায় ছিল না। সেই সমস্যার সমাধান খুঁজতে গিয়েই তিনি দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বিশেষ যানটি তৈরি করেছেন।

বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাত্তার দুলাল জানান, ব্যাটারিচালিত এই গাড়িটি একবার চার্জে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে এবং ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতি ৪৫ কিলোমিটার। ওয়াকিমুলের সঙ্গে কার্যালয়ে এসেছিলেন তিনিও।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাহন তৈরির জন্য ওয়াকিমুলের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি কম খরচে আরও আধুনিক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য স্মার্ট কার তৈরির পরামর্শ দেন এবং এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ওয়াকিমুল জানান, সহযোগিতা পেলে আরও উন্নতমানের স্মার্ট কার তৈরি করা সম্ভব, যা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি বয়স্করাও ব্যবহার করতে পারবেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম, মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের পথে রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজঃ শনিবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৮টার দিকে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট (বিজি-২০১) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রপতির চিকিৎসকবৃন্দ, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সফরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যাচ্ছেন।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলো-আপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।

চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।




৪ অঞ্চলে ঝোড়ো বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসের বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে এসব এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই চার এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ-সতর্ক সংকেত মেনে চলতে বলা হয়েছে।
এদিকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পরবর্তী পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এর বাইরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।