দেড় মাসের শিশুসহ কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী

ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় যুব মহিলা লীগের নেত্রী মোসা. শিল্পী বেগমকে (৩৭) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আসামিকে হাজির করা হলে বিচারক আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদ তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শিল্পী বেগম ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের নেত্রী।

মঙ্গলবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে আদালতের চারতলায় দেখা যায়, ৪৬ দিন বয়সী এক শিশুকে স্তন্যপান করাচ্ছেন শিল্পী বেগম। পুলিশ যখন তাকে হাজতখানায় নিয়ে যেতে উদ্যত হয়, তখন তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসময় উপস্থিত আইনজীবী ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে পুলিশের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত কোলের শিশুকে নিয়েই তাকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী আদালতে জামিন আবেদন করে বলেন, আসামির কোলে মাত্র ১ মাস ১৬ দিনের শিশু। সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের পর মা ও শিশুর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন। মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন চাওয়া হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি, যা মা ও শিশুর মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন শিল্পী বেগমের বিরুদ্ধে হামলা ও লুণ্ঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ১৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাহমিদ মুবিন রাতুল গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় শিল্পী বেগমের নাম আসে। এছাড়া ২৩ জুলাই তার নির্দেশেই ১২০-১৩০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি রাতুলের বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুণ্ঠন চালায়। হামলার সময় বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও মারধর করে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ নজরুল ইসলাম বলেন, আসামিকে আন্দোলন দমনে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেছে এবং তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২০ এপ্রিল নিজ বাসা থেকে ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।




হাম ও উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ : সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ১৫৯ জনের মধ্যে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৯৩৫ জনে।

এ নিয়ে চলতি বছর হামে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। সেই সঙ্গে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৮০৫ জন। এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭ হাজার ৮৫ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১৪ হাজার ১০৬ জন।




রেজা-উন-নবী ও মাহফুজুর রহমান পদোন্নতি পেলেও দায়িত্বে নেই, শূন্য সিলেট-বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের পদ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সরকার সিলেট ও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনারকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি দিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করায় প্রশাসনিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রোববার (১৯ এপ্রিল) পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানকে গ্রেড-১ পদে উন্নীত করার পাশাপাশি তাদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত জানায়। একই সঙ্গে দুই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নতুন বিভাগীয় কমিশনার এখনো নিয়োগ না হওয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে।

প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্রেড-১ পদোন্নতি সাধারণত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হলেও একই আদেশে ওএসডি করা হলে তা নানা বার্তা বহন করে। অনেক সময় নতুন পদায়নের আগে সাময়িকভাবে কর্মকর্তাদের ওএসডি করা হয়, আবার কখনো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস, নীতিগত সিদ্ধান্ত বা ভবিষ্যৎ রদবদলের অংশ হিসেবেও এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ফলে দুই বিভাগীয় কমিশনারকে একযোগে পদোন্নতির পর ওএসডি করায় বিষয়টি স্বাভাবিক প্রশাসনিক রদবদল নাকি বড় ধরনের পুনর্বিন্যাসের অংশ—তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

সিলেট ও বরিশাল—দুটি বিভাগই প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। সিলেট দেশের প্রবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত, অন্যদিকে বরিশাল দক্ষিণাঞ্চলের নদীবেষ্টিত বিস্তীর্ণ এলাকার প্রশাসনিক কেন্দ্র। এমন দুই বিভাগের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে এখনো নতুন নিয়োগ না হওয়ায় মাঠ প্রশাসনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমন্বয় কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে তাৎক্ষণিকভাবে নতুন দায়িত্বের বিষয়ে কিছু উল্লেখ না থাকলেও প্রশাসনের ভেতরে ধারণা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই এ দুটি বিভাগে নতুন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে পদোন্নতি পাওয়া দুই কর্মকর্তাকেও গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বে আনা হতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছেই।

প্রশাসনিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের সাম্প্রতিক এ সিদ্ধান্ত শুধু দুই কর্মকর্তার ব্যক্তিগত পদোন্নতি নয়, বরং উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিতও হতে পারে। এখন নজর সিলেট ও বরিশালে কে আসছেন নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে, আর খান মো. রেজা-উন-নবী ও মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের পরবর্তী গন্তব্য কোথায়।




বৈদ্যুতিক মিটার নিয়ে চোর পালালো; মহাখালী রাজউক অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) জোন-৩ এর কার্যালয়ে এক চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে। ২১ এপ্রিল রাতের আধারে ভবনের প্রধান বিদ্যুৎ মিটারটি চোরেরা কেটে নিয়ে যাওয়ায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎহীন ভাবে চলছে পুরো অফিসের কার্যক্রম। এতে ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এবং চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাগ্রহীতারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সকালে রাজউক অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে যোগ দেওয়ার পর দেখতে পান কোন ধরনের বিদ্যুৎ চলছে না। প্রাথমিকভাবে একে সাধারণ লোডশেডিং মনে করা হলেও দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না আসায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরে বিদ্যুৎ কক্ষ পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যায়, মেইন গেট বা নির্ধারিত স্থানের বিদ্যুৎ মিটারটি কৌশলে কেটে নিয়ে গেছে চোর চক্রের সদস্যরা।

বিদ্যুৎ না থাকায় সকাল থেকে রাজউকের সার্ভার এবং কম্পিউটার সিস্টেম বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতারা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনো কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না তারা। রাজউকের এক কর্মকর্তা জানান, প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র যাচাই ও ডিজিটাল কাজগুলো স্থবির হয়ে পড়ছে।

তবে একসূত্রে জানা যায়, এমন ঘটনা এর আগেও একবার ঘটেছে। অন্য একজন বলছেন এমন ঘটনা কেন ই বা ঘটবে না অফিস সময় শেষে সবাই চলে যায় আগে নৈশপ্রহরী ছিল এমন ঘটনা ঘটার সুযোগ কম ছিল। এখন অনেক মাস ধরে এখানে নৈশপ্রহরী নেই যে কারণে এমন ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়।

‎ঘটনার পরপরই ডেসকো (DESCO) কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। রাজউক জোন-৩ এর কর্মকর্তারা জানান, একটি সরকারি অফিসের মিটার চুরির ঘটনাটি বেশ উদ্বেগের। নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে মিটারটি চুরি হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‎বর্তমান অবস্থা দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা হয়ে গেলেও জেনারেটর বা  বিকল্প ব্যবস্থায় কিংবা নতুন মিটার স্থাপনের মাধ্যমে কোন রকম বিদ্যুৎ সংযোগ সচল করা হয়নি। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে কোন অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে কি না জানা যায়নি।




সংসদের অধিবেশন কক্ষে খাচ্ছিলেন এমপি, ধরে ফেললেন স্পিকার

ডেস্ক নিউজঃ জাতীয় সংসদের মূল অধিবেশন কক্ষে শৃঙ্খলা ও মর্যাদা রক্ষায় খাবার খাওয়া বা পানীয় পানের কোনো অনুমতি নেই। তবে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) অধিবেশন চলাকালে এক সংসদ সদস্যের কর্মকাণ্ডে সংসদ কক্ষে কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার অধিবেশন পরিচালনার সময় স্পিকারের নজরে আসে যে, একজন সংসদ সদস্য অধিবেশন কক্ষের ভেতরে বসে কিছু খাচ্ছেন। স্পিকার সাথে সাথে মাইকে ওই সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ না করেই জানতে চান, তিনি কী খাচ্ছেন। এমনকি তিনি চা পান করছেন কি না, সেটিও জানতে চান।

জবাবে ওই সংসদ সদস্য জানান যে, তিনি গরম পানি পান করছেন। তবে স্পিকার তার জবাবে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি ক্ষুব্ধ স্বরে বলেন, “পরে আরও কী খাবেন, গড নোজ (ঈশ্বর জানেন)!” ঘটনাটি তাৎক্ষণিক হলেও টিভি ক্যামেরা ওই সংসদ সদস্যের দিকে না থাকায় তার পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধিতে অধিবেশন কক্ষে বসে খাওয়া-দাওয়া বা পান করার ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। এ বিষয়ে জানা যায়:

৩১১ নম্বর বিধি: এই বিধি অনুযায়ী, সংসদের মূল কক্ষটি কেবল সংসদীয় বৈঠকের জন্যই ব্যবহৃত হবে। বৈঠক ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কক্ষটি ব্যবহার করা আইনত পরিপন্থী।

সংসদীয় সংস্কৃতি: সংসদ একটি অত্যন্ত মর্যাদাশীল স্থান। সেখানে সাধারণ ক্যাফেটেরিয়ার মতো খাবার খাওয়ার কোনো রেওয়াজ নেই। কক্ষের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সদস্যরা ক্যাফেটেরিয়া বা নির্দিষ্ট স্থানে খাবার গ্রহণ করে থাকেন।

সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদ ভবনের ভেতরেই আলাদা ক্যাফেটেরিয়া ও ডাইনিংয়ের সুব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে সংসদ সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুমোদিত ব্যক্তিরা খাবার গ্রহণ করতে পারেন। অধিবেশনের সময় বা কক্ষের ভেতরে খাবার নিয়ে যাওয়া সাধারণত শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।




প্রথম দিনে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৬ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ডেস্ক নিউজঃ পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক কড়াকড়ি এবং সিসিটিভি নজরদারির মধ্যেই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথমদিনে সারা দেশে (১১টি শিক্ষাবোর্ডে) নকল ও অসদুপায় অবলম্বন করায় ৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে দুইজন, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের চার শিক্ষার্থী রয়েছে।

একই সঙ্গে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একজন পরিদর্শককেও (শিক্ষক) বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান  প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।




জ্বালানি সংকটে অটোরিকশা ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ এই মুহূর্তে যেহেতু একটা ফুয়েলের ক্রাইসিস আছে, আমাদের এই ভেহিকেলগুলো (অটোরিকশা) ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা জানান।

সম্মেলনে একজন সাংবাদিক বলেন, জ্বালানি সংকটের সময় আপনারা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্যে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছেন, দোকানপাট বন্ধ। অথচ ঢাকা শহরে প্রায় ২০ লাখ অটোরিকশা আছে যেগুলো গ্যারেজ থেকে চার্জ দেওয়া হয়।

এই অবৈধ ভাবে ১২/১৫/২০ লাখ অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি না -এ প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমি আপাতত একটা কথা বলি। আমাদের যেই সংকটটা এখন তৈরি হয়েছে, আমি আগে একদিন বলেছিলাম, যেই ধরনের ভেহিকেল চলে, আমাদের কিন্তু আস্তে আস্তে ইলেকট্রিক ভেহিকেলে যেতে হবে। আমরা তো মানে সবার কার (গাড়ি) এফোরড করা সবার জন্যে সম্ভব নাহ। যেই ধরণের ভেহিকেল আমরা দেখি যেমন অটোরিকশা, এগুলোকে আসলে এনকারেজ (উৎসাহ) করতে হবে। এটা হল বেসিক প্রিন্সিপাল। ভবিষ্যৎ ওইদিকেই যাচ্ছে।

একইসঙ্গে এই ভেহিক্যালগুলা যথেষ্ট মেকানিক্যালি সেফ নাহ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এগুলোর মধ্যে আসলে নানান ঝামেলা আছে এবং প্রচুর এক্সিডেন্ট হয়। এই মুহূর্তে যেহেতু একটা ফুয়েলের ক্রাইসিস আছে, আমাদের এই ভেহিকেলগুলো ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে। চার্জের ব্যাপারে আমি আপনার সঙ্গে একমত। যে এখানে প্রচুর টাকা অপচয় হয়। কিন্তু চার্জের ক্ষেত্রে আমি যতদূর বুঝি এটা আমি আমার সেন্স থেকে বলছি। আমাদের পিক আউয়ারে ওনারা চার্জ দেন না। এই চার্জগুলো সম্ভবত রাতের দিকে হয়। ফলে এই সময় আমাদের কিছু এক্সেস বিদ্যুৎ অথবা বিদ্যুতের চাহিদা খানিকটা কম থাকে এবং এতে হয়তো প্রেশার হয় না। তারপরও কোনরকম মিটার ছাড়া কোন রকম খরচ ছাড়া চার্জ দিচ্ছেন এটা নাহ। এই নীতি মালার আমাদের তো এই গুলাকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

অবশেষে তিনি বলেন, আমরা একটা নীতিমালা করবো যেখানে কি স্ট্যান্ডার্ড থাকবে, কি কি ক্রায়টেরিয়া থাকবে ভেহিকেলগুলোর, কি কি সেফটি থাকবে, এগুলোর লাইসেন্সিং হবে। তখন সবকিছু স্ট্রাকচারে আসবে আশা করি।




বিলাসবহুল ফ্ল্যাট-জমির অভিযোগের মাঝে ১৭ কোটি টাকার বিল বিতর্কে গণপূর্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান

এসএম বদরুল আলমঃ গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল (ই/এম) সার্কেল-৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমানের দায়িত্বে থাকা একটি বড় প্রকল্পের প্রায় ১৭ কোটি টাকার বিলকে ঘিরে গুরুতর অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী ও অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছেন প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি, সরঞ্জাম সরবরাহ এবং অনুমোদিত বিলের অঙ্কের মধ্যে স্পষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। এই ঘটনায় জনৈক আলদ্দিন ওয়াজেদ দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পে যে উচ্চ অঙ্কের বিল করা হয়েছে, তার বিপরীতে সমপরিমাণ কাজ বা সরঞ্জাম সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নথিতে দেখানো দাম বাজারমূল্যের তুলনায় অতিরঞ্জিত, এবং বিল অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নিয়মনীতি উপেক্ষার অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি অভ্যন্তরীণ নথিতে বিল অনুমোদনের সময় অস্বাভাবিক তড়িঘড়ি, নথি যাচাই ছাড়া পেমেন্ট প্রসেসিং, এমনকি কিছু ফাইলের তারিখে “বেমিল” এসব বিষয়কে অনিয়মের সম্ভাব্য ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ই/এম সার্কেল-৩ এর টেন্ডার ও ক্রয়ব্যবস্থায় প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমানের প্রভাব বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা জানান। তাদের দাবি তাঁর ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের নির্দিষ্টভাবে সুবিধা পাওয়া, সরঞ্জাম ক্রয় ও সরবরাহে পূর্বনির্ধারিত প্রক্রিয়া, এবং গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডারে একটি স্থায়ী গোষ্ঠীর আধিপত্য দেখা যায়।

ঠিকাদার আলদ্দিন ওয়াজেদ বলেন, ১৭ কোটি টাকার বিলটি এই প্রভাব বলয়ের আরেকটি উদাহরণ হতে পারে। প্রকৌশলী মাহবুবুর ঘুষ ছাড়া কাউকে কাজ দেন না। বিশেষ করে তিনি আত্মীয় স্বজনের বাইরে কাজ দিতে অনিহা। কারণ প্রতিটি কাজের তার অগ্রিম কমিশন নির্ধারিত থাকে। তিনি আরো বলেন, প্রকল্পে যে উচ্চ অঙ্কের বিল করা হয়েছে, তার বিপরীতে সমপরিমাণ কাজ বা সরঞ্জাম সরবরাহের প্রমাণ নেই। অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নিয়মনীতি উপেক্ষা করা হয়েছে।

মাহবুবুর রহমান রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ১/১৪ ইকবাল রোডে প্রায় ৩৫০০ বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিক। পশ্চিম আগারগাঁওয়ের ৬০ ফুট রাস্তার মাথায় চারতলা একটি ভবন এবং বনশ্রী আমুলিয়া হাউজিং এলাকায় জমি রয়েছে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এই সম্পদ বৈধ আয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা গেলে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সরকারি চাকরির আয়ের হিসাব অনুযায়ী এত সম্পদ অর্জন সম্ভব নয়। সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে এই সম্পদ অর্জন করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলোও এই অভিযোগের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে। সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ই/এম সার্কেল-৩-এর আওতাধীন বিভিন্ন টেন্ডার ও ক্রয়প্রক্রিয়ায় প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমানের সরাসরি প্রভাব রয়েছে। তিনি ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান সরাসরি কোনো মন্তব্য দেননি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত একজন ঠিকাদার বলেন স্যারের বিরুদ্ধে লিখলে সমস্যা হতে পারে। তাঁর হাত অনেক লম্বা।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এ ধরনের অঙ্কের বিলের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা না থাকলে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

অভিযোগগুলো সত্য হলে এটি গুরুতর অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপব্যবহারের ইঙ্গিত দেয়। বিষয়টি তদন্ত ছাড়া পরিষ্কার হবে না। তিনি আরও জানান টেন্ডার ক্রয় বিল প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না তা নিরপেক্ষ তদন্তেই প্রমাণিত হবে।

দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, সরকারি প্রকল্পে ১৭ কোটি টাকার বিল নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নথিপত্রের বৈষম্য বা আর্থিক অস্বচ্ছতা পাওয়া গেলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুসন্ধানের আওতায় পড়ে। তিনি যোগ করেন অভিযোগকারীরা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে প্রাথমিক যাচাইয়ের পর আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি অডিট ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ বলেন, তারিখের অসঙ্গতি, তড়িঘড়ি অনুমোদন এবং যাচাই বিহীন পেমেন্ট এসব উচ্চ ঝুঁকির সংকেত। এটি যদি প্রভাবশালী নেটওয়ার্কের অংশ হয়, প্রভাব কেবল প্রকল্প সীমায় থাকবে না; এটি সিস্টেমিক হতে পারে।

এ ব্যাপারে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ ধরনের ঘটনা শুধু আর্থিক অনিয়ম নয়; এটি প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও শাসনব্যবস্থার গভীর সংকটের প্রতিফলন। স্বাধীন ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত করতে হবে। তাহলে দুর্নীতিবাজ বের করা সম্ভব।




ইংল্যান্ডে প্রতি মাসে গড়ে ছুরিকাঘাতে দুই শিশুর প্রাণ যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল মেডিকেল স্কুলের গবেষকদের প্রতিবেদনে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা বলছে, ইংল্যান্ডে প্রতি মাসে গড়ে অন্তত দুটি শিশু ছুরিকাঘাতের শিকার হয়ে প্রাণ হারাচ্ছে।

ন্যাশনাল চাইল্ড মর্টালিটি ডেটাবেসসহ বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি করা এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে দেশটিতে কিশোর বয়সীদের মধ্যে ছুরিকাঘাতে মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে যেখানে এই সংখ্যা ছিল ২১ জন, সেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ জনে।

এই গবেষণার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো ভুক্তভোগীদের পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট। গত পাঁচ বছরে ছুরি হামলায় নিহত ১৪৫ জন শিশুর তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশই ছেলে এবং এদের বিশাল একটি অংশ দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা থেকে আসা। গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন, নিহত শিশুদের এক-চতুর্থাংশ এমন একজনের সাথে বসবাস করত যারা মানসিকভাবে অসুস্থ এবং প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিশু এমন পরিবারে বড় হয়েছে যেখানে মাদকাসক্তির সমস্যা ছিল। এছাড়া পারিবারিক সহিংসতার ইতিহাসও অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গবেষণায় উঠে আসা নৃতাত্ত্বিক তথ্য বিশ্লেষণে একটি বড় বৈষম্য ধরা পড়েছে। নিহতদের ৩২ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ এবং ৩১ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ হলেও জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে কৃষ্ণাঙ্গ বা ব্রিটিশ-কৃষ্ণাঙ্গ শিশুরা শ্বেতাঙ্গ শিশুদের তুলনায় ১৩ গুণ বেশি ছুরি হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া নিহতদের ৭৫ শতাংশই দেশের চরম দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকার বাসিন্দা এবং এক-তৃতীয়াংশ ঘটনায় গ্যাং বা কিশোর অপরাধী চক্রের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে।

গবেষণার প্রধান লেখক এবং জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ড. টম রবার্টস এই পরিস্থিতিকে ‘জরুরি অবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, অনেক শিশু নিয়মিত সরকারি ও সামাজিক সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সংস্পর্শে থাকা সত্ত্বেও তারা পারিবারিক সহিংসতা বা প্রতিকূল শৈশবের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর সহায়তা পায়নি। এই প্রতিবেদনটি শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং বিশেষ করে পারিবারিক সহিংসতা ও দারিদ্র্যের শিকার শিশুদের জন্য দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।

সূত্র: স্কাই নিউজ




রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি

ডেস্ক নিউজঃ পুনঃগ্যাসিফাইড তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহের একটি ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এতে তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তিতাস গ্যাসের মিডিয়া ও জনসংযোগ শাখার ব্যবস্থাপক মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আরএলএনজি সরবরাহের ১টি এফএসআরইউ কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ‍্যাসের সরবরাহ প্রায় ৪০০ এমএমসিএফডি হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার দক্ষিনাংশসহ সমগ্র তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।

এ পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।