ডিড প্রকল্পে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ: প্রতিমন্ত্রী পলক জেলে, আর পিডি বালিগুর রহমান উচ্চপদে বহাল!

image_pdfSaveimage_print

এসএম বদরুল আলমঃ আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত “ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও ইনোভেশন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন (ডিড)” প্রকল্পে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক প্রকল্প পরিচালক আবুল ফাতাহ মো. বালিগুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে (বিসিএসআইআর) সদস্য (যুগ্ম সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরদিকে, একই প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে এখন কারাগারে।

বালিগুর রহমান ১৫তম বিসিএস তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা। কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৯৫ সালে। বাংলাদেশ বেতারের আগারগাঁও স্টেশনের স্টেশন প্রকৌশলী, মনিটরিং পরিদপ্তরে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে—তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের তদবিরে তিনি ২০১৮ সালে ২৫ শতাংশ কোটা থেকে উপসচিব পদে উন্নীত হন। বালিগুর ও পলকের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্কও রয়েছে; অভিযোগ রয়েছে এই ঘনিষ্ঠতার কারণেই তিনি আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে বারবার পদায়িত হন এবং নিয়মকানুন অমান্য করে ব্যক্তিগত সুবিধা নেন।

উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর আবুল ফাতাহ মো. বালিগুর রহমান বেশিরভাগ সময় আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পে দায়িত্ব পেয়েছেন। বিশেষ করে ৫ আগস্ট ২০২৪–এর পর বগুড়ার পরিচিত মহলের তদবিরে তিনি আরও একটি পদোন্নতি অর্জন করেন। অথচ একই সময়ে তার প্রত্যক্ষ বস ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক দুর্নীতির মামলায় কারাগারে থাকলেও বালিগুর রহমান দিব্যি যুগ্ম সচিব হিসেবে চাকরি করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে (বিসিএসআইআর) সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছেন—যেখানে তাকে অনেকেই ‘সুপার পাওয়ার’ কর্মকর্তা হিসেবে দেখছেন।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা অনেক বড়। আইসিটি মন্ত্রণালয় ও “ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও ইনোভেশন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন (ডিড)” প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থ লুটপাট, অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতির বহু অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ডিড প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ ছিল, আর প্রকল্প পরিচালক থাকাকালে বালিগুর রহমানের বিরুদ্ধে সেই অর্থের টেন্ডার, বাজেট ব্যবহার এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

অনেকেই বলেন, প্রতিমন্ত্রী পলক ও তার স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় বালিগুর রহমান কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা করতেন না। সুযোগ পেলেই নিয়মকে পাশ কাটিয়ে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়া এবং দেশে–বিদেশে সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

তদন্তে জানা গেছে, পলক প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে তার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন বালিগুর রহমান। অভিযোগ রয়েছে—তিনি বিভিন্ন আইসিটি প্রকল্প থেকে নিয়মিতই ৫% কমিশন আদায় করতেন, যা পরিচালিত হতো তার নিজস্ব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। এই সিন্ডিকেটের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বালিগুর নিজেই, এবং ডিড প্রকল্পেও সেই সিন্ডিকেটের প্রভাব ছিল ব্যাপক। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা জানিয়েছেন বালিগুর রহমান ও তার সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রকল্পে “৫% কমিশন” নিতেন। বিদেশে টাকা পাচার ও ঢাকার অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগও রয়েছে। যদিও তিনি দাবি করেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সব মিথ্যা।”

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে বালিগুর রহমানকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় জমলেও, পলকের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পেত না। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে বর্ণনা করেছেন একজন সুবিধাভোগী দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার দোসর হিসেবে।

ডিড প্রকল্পে বালিগুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ—টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, বাজেটের অর্থ স্থানান্তর, প্রকল্পের অর্থ ব্যয় না করেও বিল উত্তোলন, এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়মিত কমিশন নেওয়া।

আইসিটি মন্ত্রণালয়ের তদন্তে উঠে এসেছে যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্পে বিপুল অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়—৮৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত সংস্করণে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়েছে। একইভাবে ১ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকার ১২ জেলায় আইটি ও হাই-টেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত সংস্করণেও আর্থিক অস্বচ্ছতা পাওয়া যায়।

এ ছাড়াও ৫৩৩ কোটি টাকার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্প, ৪৩১ কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি–২-এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন, এবং ৩৫৩ কোটি টাকার ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয়ের অসংগতি পাওয়া গেছে।

তালিকায় আরও রয়েছে ৭৪ কোটি টাকার বাংলাদেশ–ভারত ডিজিটাল সেবা ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ (বিডিসেট) কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প। পাশাপাশি ১ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকার শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি এবং ১ হাজার ১১৪ কোটি টাকার ১৪টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের প্রকল্পেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যেই সমস্ত প্রকল্পের ফাইল জব্দ করেছে এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক দুর্নীতির মামলায় কারাগারে থাকলেও, একই প্রকল্পের আরেক কেন্দ্রীয় ব্যক্তি—ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও ইনোভেশন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন (ডিড) প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক আবুল ফাতাহ মো. বালিগুর রহমান—এখনও উচ্চপদে বহাল। বরং তিনি যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে প্রথমে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং পরবর্তীতে আরও আকর্ষণীয় পদ—বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের সদস্য—হিসেবে নিয়োগ পান।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরে যোগদানের পর তার বিরুদ্ধে নতুন করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ জমতে শুরু করে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি অনেক কেনাকাটা ই-জিপির মাধ্যমে না করে ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করেন, যাতে নিজের সিন্ডিকেটের ঠিকাদাররা সুবিধা পায় এবং তিনি বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে পারেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্পে নিয়োজিত প্রকল্প পরিচালক ও কর্মকর্তাদের সহায়তায় ঠিকাদারদের ওপর তদন্ত কমিটি, মন্ত্রণালয় অথবা দুদকের নাম দেখিয়ে ভয় দেখাতেন—এভাবেই হাতিয়ে নিতেন লাখ লাখ টাকা।

অভিযোগ আরও রয়েছে, পিডি আবুল বাশার এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিবের সাথে বালিগুর রহমান মিলেই ঠিকাদারদের কাছ থেকে অডিট ও এজি অফিসের নামে ৪% করে টাকা তুলতেন। কিন্তু ঠিকাদাররা যখন সরাসরি এসব দপ্তরে যোগাযোগ করেন, তারা জানতে পারেন—সেসব অফিসে এমন কোনো অর্থ যায়নি। অর্থাৎ এই তিনজনের সিন্ডিকেটই পুরো টাকাটা ভাগ করে নিত। এমনকি শতভাগ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও ঠিকাদারদের নিরাপত্তা টাকা (পিজি) বা এজি অফিসের কর্তনকৃত ১০% ফেরত পেতে চাইলে, ওই অর্থের অর্ধেক দাবি করা হতো। বছর ধরে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আটকে রেখে ঘুষ আদায় ছিল সিন্ডিকেটের নিয়মকৃত পদ্ধতি।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে—যেসব ঠিকাদার সিন্ডিকেটের দাবিকৃত টাকা দিতে না পারতেন, তাদের বিরুদ্ধে মনগড়া প্রতিবেদন তৈরি করে হয়রানি করা হতো। প্রকল্পে কর্মরত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীরও পদায়ন ও স্থায়ী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভয়ানক চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বলা হয়, পিডি আবুল বাশার ও সহকারী পরিচালক শাহাদাত জনপ্রতি প্রায় এক কোটি টাকা পর্যন্ত দাবি করতেন। টাকা না দিতে পারলে মাত্র তিন ঘণ্টার নোটিশে তাদের প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হতো। একইভাবে বালিগুর রহমান ও শাহাদাত মিলে বিভিন্ন দপ্তরে বদলি ও পোস্টিংয়ের বদলে বারবার মোটা অঙ্কের টাকা নিতেন।

এত অভিযোগের পরও বালিগুর রহমানকে নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তাকে আরও উচ্চপদে, বিসিএসআইআরে সদস্য হিসেবে পদায়ন করা প্রশাসনে ব্যাপক প্রশ্ন তুলেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা ও সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক যখন দুর্নীতির দায়ে কারাগারে, তখন একই প্রকল্পের মূল ব্যক্তি বালিগুর রহমান কীভাবে এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো জবাবদিহিতা ছাড়া ক্ষমতাধর অবস্থানে থাকতে পারেন?

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আবুল ফাতাহ মো. বালিগুর রহমান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন—“আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়, ঢাকায় আমার এক ছটাক জমিও নেই।” তবে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—ঢাকার অভিজাত এলাকায় তার ৩ হাজার বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, রাজশাহী ও বগুড়ায়ও তার নামে-বেনামে জমি ও সম্পত্তি আছে। অভিযোগ রয়েছে—বিভিন্ন ঠিকাদারদের মাধ্যমে বিদেশেও তিনি অর্থ পাচার করেছেন।

অনুসন্ধানকারীরা বলছেন—বালিগুর রহমান যে প্রকল্পগুলোতে ২০১৮ সাল থেকে যুক্ত ছিলেন, সেসব ফাইল দুদক গভীরভাবে পরীক্ষা করলে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্তৃত প্রমাণ পাওয়া যাবে—এটা নিশ্চিত।

  • Related Posts

    ৬০ কোটি টাকার বিপিসি ভবনে উদ্বোধনের পরই পানি-ফাটল, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন; তদারকিতে থাকা প্রকৌশলী আপেল মামুনের বিরুদ্ধে কমিশন-বাণিজ্যের অভিযোগ

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন ভাড়া ভবনে কার্যক্রম চালানোর পর অবশেষে নিজস্ব সদর দপ্তর পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। চট্টগ্রামের জয়পাহাড় এলাকায় প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে পাঁচতলা এই…

    তদবির-কমিশনের অভিযোগে আলোচনায় গণপূর্তের প্রকৌশলী কায়কোবাদ, সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কায়কোবাদকে ঘিরে অনিয়ম, কমিশন বাণিজ্য, বদলি ও পদায়নে তদবির এবং বিপুল সম্পদ অর্জনের নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের দাবি,…

    One thought on “ডিড প্রকল্পে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ: প্রতিমন্ত্রী পলক জেলে, আর পিডি বালিগুর রহমান উচ্চপদে বহাল!

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    You Missed

    বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হোটেলে দুই কোচের হাতাহাতি, পুলিশ ডাকলেন ইংলিশ কোচ

    • By Sara
    • আগস্ট ২৪, ২০২৬
    • 0 views
    বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হোটেলে দুই কোচের হাতাহাতি, পুলিশ ডাকলেন ইংলিশ কোচ

    ‘বাংলাদেশ প্রথমে বোলিং করলে অস্ট্রেলিয়া ৬০ রানে অলআউট হতো’

    • By Sara
    • আগস্ট ২৪, ২০২৬
    • 1 views
    ‘বাংলাদেশ প্রথমে বোলিং করলে অস্ট্রেলিয়া ৬০ রানে অলআউট হতো’

    পুনর্নির্মিত হচ্ছে মুম্বাইয়ে কেনা শাহরুখ-গৌরীর প্রথম ফ্ল্যাট ‘মান্নাত’

    • By Sara
    • আগস্ট ২৪, ২০২৬
    • 2 views
    পুনর্নির্মিত হচ্ছে মুম্বাইয়ে কেনা শাহরুখ-গৌরীর প্রথম ফ্ল্যাট ‘মান্নাত’

    ৬০ কোটি টাকার বিপিসি ভবনে উদ্বোধনের পরই পানি-ফাটল, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন; তদারকিতে থাকা প্রকৌশলী আপেল মামুনের বিরুদ্ধে কমিশন-বাণিজ্যের অভিযোগ

    • By admin admon
    • আগস্ট ২৪, ২০২৬
    • 39 views
    ৬০ কোটি টাকার বিপিসি ভবনে উদ্বোধনের পরই পানি-ফাটল, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন; তদারকিতে থাকা প্রকৌশলী আপেল মামুনের বিরুদ্ধে কমিশন-বাণিজ্যের অভিযোগ

    তদবির-কমিশনের অভিযোগে আলোচনায় গণপূর্তের প্রকৌশলী কায়কোবাদ, সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    • By admin admon
    • আগস্ট ২৪, ২০২৬
    • 17 views
    তদবির-কমিশনের অভিযোগে আলোচনায় গণপূর্তের প্রকৌশলী কায়কোবাদ, সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শ্রদ্ধা

    জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শ্রদ্ধা