ডেস্ক নিউজ : সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে অপহরণের তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন পাঁচ জেলে। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে বনদস্যুদের মারধরে গুরুতর আহত এক জেলেকে বুধবার সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
মুক্তিপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের হানিফ, জাকির, শাহিন ও আকুব্বর এবং রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের শরিফুল ইসলাম (৩০)।
অপহৃত জেলেদের মহাজন রামপাল উপজেলার মোস্তাফিজুর রহমান বুধবার দুপুরে জানান, গত ১৩ জুন রাতে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলারচর এলাকার লইট্রাখালী খালে মাছ ধরার সময় বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা জেলে বহরে হামলা চালায়। এ সময় পাঁচটি ট্রলার থেকে পাঁচ জেলেকে অপহরণ করে সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি জানান, অপহরণের পর জেলেদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। বিশেষ করে শরিফুল ইসলামকে বেদম মারধর করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে জনপ্রতি ৪০ হাজার টাকা হিসেবে মোট দুই লাখ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মুক্তিপণ পরিশোধ করা হলে মঙ্গলবার গভীর রাতে বনদস্যুরা তাদের ছেড়ে দেয়।
মুক্তি পাওয়ার পর গুরুতর আহত শরিফুল ইসলামকে বুধবার সকালে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বন কর্মকর্তা জানান, লইট্রাখালী এলাকায় পাঁচ জেলে অপহরণ এবং মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি তারা বুধবার সকালে জানতে পেরেছেন।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজীব আল রশিদ জানান, বনদস্যুদের মারধরে এক জেলে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর তিনি শুনেছেন। তবে পাঁচ জেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।










