ক্রীড়া ডেস্ক : ৪৩০ রানের বিশাল লক্ষ্য। জিততে হলে ওয়ানডে ক্রিকেটে রান তাড়ার ইতিহাসে গড়তে হতো নতুন রেকর্ড। হ্যারি ব্রুকের রেকর্ড গড়া দ্বিশতকে ইংল্যান্ডের তোলা ৪২৯ রানও শেষ পর্যন্ত যথেষ্ট হলো না। পবন রথনায়েকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, দাসুন শানাকা ও আভিষ্কা ফার্নান্দোর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পর জানিথ লিয়ানাগের বিধ্বংসী ইনিংসে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ৪৯.৫ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৩০ রান করে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লঙ্কানরা। ওয়ানডে ক্রিকেটে রান তাড়া করে জয়ের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ইংল্যান্ডের দেওয়া ৪৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা। একের পর এক ব্যাটারের কার্যকর ইনিংসে কঠিন লক্ষ্যও নাগালে চলে আসে তাদের।
শ্রীলঙ্কার জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান পবন রথনায়েকের। ১০৬ বলে ১৩০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। দাসুন শানাকা মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রান করে ইংলিশ বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান। একই রান করেন আভিষ্কা ফার্নান্দোও। তবে তাঁর ৯৭ রান আসে ৮৩ বলে।
শেষ দিকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন জানিথ লিয়ানাগে। মাত্র ২৭ বলে অপরাজিত ৬১ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন আসিথা ফার্নান্দোও।
এর আগে হ্যারি ব্রুকের রেকর্ড গড়া দ্বিশতকে বড় সংগ্রহ গড়ে ইংল্যান্ড। মাত্র ১১৬ বলে ২০২ রান করেন ব্রুক। তার ইনিংসে ছিল ২১টি চার ও ১০টি ছক্কা। ১১৪ বলে দ্বিশতক পূর্ণ করে ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি।
ব্রুকের পাশাপাশি জো রুটের ৬৯, টম ব্যান্টনের ৫০ এবং উইল জ্যাকসের মাত্র ৩০ বলে অপরাজিত ৬৬ রানের ঝোড়ো ইনিংসে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৪২৯ রান তোলে ইংল্যান্ড।
ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৪৩৫ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে ৯ উইকেটে ৪৩৮ রান করে জয় পেয়েছিল দলটি। এবার ৪৩০ রান তাড়া করে জিতে এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল শ্রীলঙ্কা। ২০২৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪০৬ রান তাড়া করে ভারতের জয়ের কীর্তিও রয়েছে এই তালিকায়।









