ডেস্ক নিউজঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পিকআপ ভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলতে গিয়ে চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। পরে ওই ওষুধসহ ওই চালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভূঞাপুর থানার ওসি এ কে এম রেজাউল করিম এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার গোবিন্দাসী টি রোড এলাকা থেকে পিকআপটি জব্দ করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, রাতে একটি পিকআপ ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার জন্য নিয়ে আসে চালক। ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার প্রস্তুতিকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তারা পিকআপটি আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকসহ পিকআপটি থানায় নিয়ে আসে।
আটক পিকআপ চলক ও মালিক আজমতের দাবি, পিকআপ ভর্তি ওষুধগুলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সরকারি হাসপাতালের। এর আগেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার কথা জানান। ইতোপূর্বে ঘাটাইলের বনাঞ্চলের গভীর জঙ্গলে সরকারি ওষুধ ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। সেই ধারাবাহিকতায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো এবারও যমুনা নদীতে ফেলার চুক্তি নেন।
ভূঞাপুর থানার ওসি এ কে এম রেজাউল করিম জানান, ঘাটাইল হাসপাতালের মেয়াদোত্তীর্ণ পিকআপভর্তি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়ার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে আটক করে। এ ব্যাপারে আমি জেলা সিভিল সার্জনকে অবহিত করেছি। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু নাইম সোহেল জানান, এতগুলো ওষুধ নদীতে ফেলতে নিয়ে গেছে বিষয়টি আমি জানি না। তবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।










