ডেস্ক নিউজঃ শারদীয় দুর্গোৎসবের লম্বা ছুটি সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত পার্বত্য চট্টগ্রাম। আগামী ২০ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অগ্রিম বুকিংয়ের ধুম পড়েছে। এরই মধ্যে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের হোটেল-মোটেলগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিনোদনকেন্দ্রগুলোকে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের বিখ্যাত ঝুলন্ত সেতু সংস্কার ও রঙ করা হয়েছে, মেরামতের পর প্রস্তুত করা হয়েছে কাপ্তাই হ্রদের পর্যটকদের জন্য প্রায় ১০০টি ট্যুরিস্ট বোট। পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো পার্ক ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে সাজসাজ রব বিরাজ করছে।
রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, পর্যটকদের সুন্দর পরিবেশে ঘুরিয়ে আনার সব ব্যবস্থা শেষ হলেও এবার কোনো বিশেষ মূল্যছাড় থাকছে না।
একই চিত্র খাগড়াবাড়ী ও বান্দরবানেও। রাঙামাটির সাজেকগামী পর্যটকদের চাপে খাগড়াছড়ির হোটেলগুলোর শতভাগ রুম বুকিং হয়ে গেছে বলে জানান পর্যটন ব্যবসায়ীরা। বান্দরবান হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মো. জসিম উদ্দীন জানান, পাহাড়ে টানা ছুটিতে পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামলাতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে রাঙামাটি জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুল রকিব বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের সুরক্ষায় জেলার প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রাখা হবে।








