কে এই মাজহারুল ? বদলি–কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএর ‘স্বঘোষিত’ সিবিএ সভাপতিকে ঘিরে তোলপাড় ! 

image_pdfSaveimage_print
নিজস্ব প্রতিবেদক :  ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দিনই যেন বদলে যায় পরিচয়। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত মাজহারুল ইসলাম রাতারাতি আবির্ভূত হন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা হিসেবে।
এরপর নিজেকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও সিবিএর (রেজি. নং-২১৭৬) ‘ভারপ্রাপ্ত সভাপতি’ দাবি করে মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দলীয় পরিচয় বদলের পাশাপাশি বদলে গেছে তাঁর ক্ষমতার পরিধিও। বদলি, পদায়ন, কমিটি নিয়ন্ত্রণ, মামলা দিয়ে হয়রানি এবং আর্থিক লেনদেন—বিভিন্ন অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তবে এসব অভিযোগের কোনোটিই আদালতের চূড়ান্ত রায়ে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। মাজহারুল নিজেও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
  • ৫ আগস্টেই সিবিএ কার্যালয় দখলের অভিযোগ  : 
কর্মচারীদের অভিযোগ, ৫ আগস্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন সংগ্রামের ফলে সাবেক আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের মধ্যে  রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দিন বিআইডব্লিউটিএ ভবনের নিচতলায় সিবিএর প্রধান কার্যালয়ের তালা ভেঙে সেটি দখলে নেন মাজহারুল ইসলাম ও তাঁর অনুসারী কয়েকজন কর্মচারী।
এরপর কোনো কাউন্সিল বা সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই নিজেকে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা এবং সিবিএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন তিনি—এমন অভিযোগ করেছেন সংগঠনের একাধিক কর্মী। অথচ সংশ্লিষ্টদের দাবি, ২০২২ সালে বিআইডব্লিউটিএতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অনুমোদিত কমিটি ছিল। ফলে নিয়মিত সাংগঠনিক প্রক্রিয়া ছাড়া নতুন করে নেতৃত্ব দাবি করার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
  • আওয়ামী আমলে শ্রমিক লীগের নেতা, এখন শ্রমিক দলের নেতৃত্বে  :
  মাজহারুলের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েই সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর সহকর্মীরা। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত তিনি বিআইডব্লিউটিএ জাতীয় শ্রমিক লীগের ১ নম্বর সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালে টাঙ্গাইল-২ আসনের তৎকালীন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বরাবর একটি সুপারিশপত্র দেন। সেখানে মাজহারুলকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁকে প্রধান কার্যালয়ে বদলির সুপারিশ করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট নথির বরাতে দাবি করা হয়েছে।
পরবর্তীতে তিনি প্রধান কার্যালয়ে বদলি হয়ে আসেন। অভিযোগকারীদের প্রশ্ন—যে ব্যক্তি আওয়ামী লীগ আমলে দলটির শ্রমিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, ক্ষমতার পালাবদলের পর কীভাবে তিনি এত দ্রুত নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাবশালী শ্রমিক নেতা হয়ে গেলেন ? মাজহারুলের দাবি অবশ্য ভিন্ন। তাঁর ভাষ্য, তিনি ২০১৫ সাল থেকেই শ্রমিক দল করেন এবং ২০১৬ সালে সংগঠনের পদে আসেন। তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমিক লীগের পদ দেওয়া হলে তা জানার পর তিনি লিখিতভাবে অব্যাহতি নিয়েছিলেন।
  • বদলি কি এখন ‘বাণিজ্যের’ হাতিয়ার ?
বিআইডব্লিউটিএর একাধিক কর্মচারীর অভিযোগ, বদলি এবং পুনঃবদলি না করার আশ্বাসকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনের একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি হয়েছে।  অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামীপন্থী সিবিএ নেতাসহ সাধারণ কর্মচারীদের কাছ থেকেও বদলি ঠেকানো বা কাঙ্ক্ষিত স্থানে বদলির আশ্বাস দিয়ে অর্থ নেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ—সিবিএর তিন নেতার কাছ থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে এই অর্থ লেনদেনের স্বাধীন প্রমাণ বা ব্যাংক লেনদেনের নথি প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। মাজহারুল অবশ্য সরাসরি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন একই পদে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক নিয়মেই বদলি করা হয়েছে এবং এসব বদলির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
  • বিরোধীদের বিরুদ্ধে মামলা, হামলার অভিযোগ মাজহারুলকে ঘিরে :
বিরোধ আরও তীব্র হয় সিবিএর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৬ নভেম্বর এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান তাঁকে ঊর্ধ্বতন সহসভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেন।
এরপর ১১ নভেম্বর মজিবুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজুল হক বিআইডব্লিউটিএ কার্যালয়ে গেলে মাজহারুল ও তাঁর অনুসারীরা তাঁদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তাঁদের মতিঝিল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, গভীর রাতে মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় এবং পরদিন তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ সময় আজিজুল হক থানায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলে দাবি করা হয়েছে।
মাজহারুলের বক্তব্য, তিনি কাউকে মারধর করেননি; মজিবুর ও আজিজুল ইউনিয়নের ব্যানার খুলতে এলে তিনি শুধু থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। মজিবুর রহমানকে তিনি কারাগারে পাঠাননি বলেও দাবি করেছেন।
  • চিকিৎসাধীন থেকেও মামলার আসামি ?
সিবিএর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব কুমার দাসের বিরুদ্ধেও মামলা  হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সঞ্জীবের দাবি, ঘটনার সময় তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগে তিনি এ বিষয়টি তুলে ধরে মামলা প্রত্যাহার এবং মাজহারুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বলে জানা গেছে।
সঞ্জীবের আরও অভিযোগ, তিনি শ্রম আদালতে নিজের বদলি স্থগিত এবং মাজহারুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাওয়ায় তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
মাজহারুলের পাল্টা অভিযোগ—সঞ্জীব কিছু কর্মকর্তাকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছেন এবং এ কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অর্থাৎ, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএর শ্রমিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এখন আদালত ও প্রশাসনের দরজায় পৌঁছেছে।
  • সাবেক সিবিএ নেতাকেও হামলার অভিযোগ  :
সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও তাঁর ছেলের ওপরও কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে মাজহারুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম সিএমএম আদালতে মামলা করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে বলেও জানা গেছে। এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন উঠছে—একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব কীভাবে হামলা, মামলা ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের পর্যায়ে পৌঁছাল ?
  • ভাইয়ের বিরুদ্ধেও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ  : 
মাজহারুলের বিরুদ্ধে শুধু নিজের ক্ষমতা ব্যবহারের অভিযোগই নয়, পরিবারের সদস্যদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগকারীরা জানান, তাঁর দুই ভাই বিআইডব্লিউটিএতে চাকরি পেয়েছেন। তাঁদের একজন জাহিদুল ইসলাম তৃতীয় শ্রেণির ‘ষাট মুদ্রাক্ষরিক’ পদে নিয়োগ পেলেও গত কয়েক বছর ধরে নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হয়েও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনের সুযোগ কীভাবে পেলেন—এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ, পদায়ন ও দায়িত্ব অর্পণের সরকারি নথি প্রকাশ্যে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
  • সম্পদ নিয়েও প্রশ্ন  :
 আওয়ামী লীগ আমলে ঢাকার সাভারে মাজহারুলের একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বাড়িটির মালিকানা নিজের নামে না রেখে শ্বশুরের নামে দেখানো হয়েছে এবং অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ আড়াল করতেই এমন কৌশল নেওয়া হয়েছে। তবে মাজহারুলের দাবি, বাড়িটি তাঁর শ্বশুর নিজের অর্থে নির্মাণ করেছেন।
এক্ষেত্রে বাড়িটির জমির দলিল, নির্মাণ ব্যয়, অর্থের উৎস, মালিকানা এবং আয়কর নথি যাচাই করলেই অভিযোগের সত্যতা সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
  • পুরোনো ব্যক্তিগত অভিযোগও সামনে :
মাজহারুলের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে চাঁদপুরে কর্মরত অবস্থায় এক কর্মচারীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগও সামনে এনেছেন তাঁর বিরোধীরা। তাঁদের দাবি, প্রভাব ও অর্থের মাধ্যমে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল। তবে এটি একটি পুরোনো ও গুরুতর ব্যক্তিগত অভিযোগ; এর পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ বা আদালতের রায় ছাড়া এটিকে প্রতিষ্ঠিত ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
প্রশ্ন এখন একটাই—‘মাজহারুল’ কীভাবে এত ক্ষমতাবান  ? বিআইডব্লিউটিএর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ যদি সত্য হয়, তাহলে বিষয়টি কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বদলের গল্পে সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রশ্ন উঠছে একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক সংগঠনকে ঘিরে বদলি, পদায়ন, কমিটি নিয়ন্ত্রণ, মামলা এবং আর্থিক লেনদেনের একটি প্রভাববলয় আদৌ তৈরি হয়েছে কি না।
আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ে শ্রমিক লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী কীভাবে ক্ষমতার পালাবদলের পর এত দ্রুত নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে সংগঠনের নেতৃত্বের কেন্দ্রে চলে এলেন?
অভিযোগকারীরা তাঁকে আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী ও রাজনৈতিক প্রভাববলয়ের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করছেন। অন্যদিকে মাজহারুল নিজেকে শ্রমিক দলের পুরোনো কর্মী দাবি করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করছেন।
সুতরাং এখন প্রয়োজন রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, নথিভিত্তিক তদন্ত।
  • তদন্তেই বেরিয়ে আসতে পারে আসল চিত্র :
বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, মাজহারুলের রাজনৈতিক পরিচয়, সিবিএর নেতৃত্ব দাবি, কার্যালয় দখলের অভিযোগ, বদলি-পদায়নে প্রভাব, কথিত ৭০ লাখ টাকার লেনদেন, মামলা ও হামলার অভিযোগ, ভাইদের চাকরি ও পদায়ন এবং সাভারের বাড়ির অর্থের উৎস—সবকিছু একসঙ্গে খতিয়ে দেখা হোক।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি, বদলি আদেশ, সিবিএর কমিটি ও কাউন্সিলের কাগজপত্র, ব্যাংক লেনদেন, সম্পদের বিবরণ, নিয়োগ-পদায়নের নথি এবং আদালতের মামলার কাগজপত্র যাচাই করে তদন্ত করা যেতে পারে। কারণ, একজন কর্মচারী সত্যিই যদি রাজনৈতিক পরিচয় বদলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক সংগঠনের ওপর ব্যক্তিগত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে থাকেন এবং বদলি-পদায়নকে আর্থিক লেনদেনের হাতিয়ার বানিয়ে থাকেন, তবে সেটি শুধু শ্রমিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নয়—রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার জন্যও গুরুতর সংকেত। আর যদি অভিযোগগুলো মিথ্যা হয়, তাহলেও তদন্তের মাধ্যমে মাজহারুলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অবসান হওয়া জরুরি। বিআইডব্লিউটিএর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে কে কোন দলের—সেটি নয়; কে নিয়ম ভেঙেছে, কে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং কোথায় অর্থের লেনদেন হয়েছে—তার নিরপেক্ষ জবাবই এখন সবচেয়ে জরুরি।
  • Related Posts

    দুদকে অভিযোগ, বদলি-টেন্ডার নিয়ে প্রশ্ন: গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানকে ঘিরে তদন্তের দাবি

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্বে থাকা মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে এসেছে। তার চাকরিজীবনের পুরোনো বিভাগীয় শাস্তি, পরবর্তী সময়ে দ্রুত পদোন্নতি, জ্যেষ্ঠতা অতিক্রম…

    সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

    চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটমোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের এ আদেশ…

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    You Missed

    কে এই মাজহারুল ? বদলি–কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএর ‘স্বঘোষিত’ সিবিএ সভাপতিকে ঘিরে তোলপাড় ! 

    কে এই মাজহারুল ? বদলি–কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএর ‘স্বঘোষিত’ সিবিএ সভাপতিকে ঘিরে তোলপাড় ! 

    পুলিশের ৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

    • By Sara
    • আগস্ট ১৩, ২০২৬
    • 6 views
    পুলিশের ৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

    বহু বছর পর যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাচ্ছি: আসিফ নজরুল

    • By Sara
    • আগস্ট ১৩, ২০২৬
    • 6 views
    বহু বছর পর যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাচ্ছি: আসিফ নজরুল

    ৩০০ ফুট নিচে নেমেছিল এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট, পাইলটের শরীরে মিলল গাঁজার উপস্থিতি

    • By Sara
    • আগস্ট ১৩, ২০২৬
    • 4 views
    ৩০০ ফুট নিচে নেমেছিল এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট, পাইলটের শরীরে মিলল গাঁজার উপস্থিতি

    ইউক্রেনের ড্রোন ঠেকাতে রুশ জাহাজে খাঁচা ও পানির ট্যাংক!

    • By Sara
    • আগস্ট ১৩, ২০২৬
    • 4 views
    ইউক্রেনের ড্রোন ঠেকাতে রুশ জাহাজে খাঁচা ও পানির ট্যাংক!

    ফুটপাতের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ৭ শিক্ষার্থী

    • By Sara
    • আগস্ট ১৩, ২০২৬
    • 5 views
    ফুটপাতের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ৭ শিক্ষার্থী