সরকার বদলেছে, বদলায়নি প্যারাডাইমের ভাগ্য: পূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দুই সার্কেলে প্রভাব, একের পর এক বড় কাজ যাচ্ছে একই প্রতিষ্ঠানের হাতে

image_pdfSaveimage_print

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবন, ভিআইপি স্থাপনা কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাজসজ্জার কাজে দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে ‘প্যারাডাইম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স’-এর বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সরকারের সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ কাজের একটি বড় অংশ প্রতিষ্ঠানটির হাতে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কিছুদিন প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে ভাটা পড়লেও এখন আবারও সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বড় অঙ্কের কাজ পেতে শুরু করেছে প্যারাডাইম।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, গত দুই বছরে সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ভবন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভবন এবং সরকারি হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন, সম্প্রসারণ ও নির্মাণকাজ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব কাজের সম্মিলিত মূল্য কয়েক দশক কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। একই সময়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আগে শুরু হওয়া তদন্তও কার্যত এগোয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তৎকালীন গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম প্যারাডাইমের কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে উদ্যোগ নেন। এ জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রতিষ্ঠানটির কাজ ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর তদন্তের কার্যক্রম আর দৃশ্যমানভাবে এগোয়নি। সংশ্লিষ্ট নথিগুলো পূর্ত ভবনের প্রশাসনিক শাখায় পড়ে রয়েছে বলেও দাবি সূত্রের।

প্যারাডাইমের নতুন করে কাজ পাওয়ার বিষয়টির সঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) ড. আবু নাসের চৌধুরীর প্রভাবের বিষয়টিও সামনে এনেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের অভিযোগ, আগে যেসব কর্মকর্তার পৃষ্ঠপোষকতার কথা আলোচনায় ছিল, তাদের কেউ কেউ এখন দায়িত্বে না থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন করে প্রভাবশালী যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।

ড. আবু নাসের চৌধুরী বর্তমানে ঢাকা সার্কেল-২-এর দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি সার্কেল-১-এর অতিরিক্ত দায়িত্বও তার হাতে এসেছে। ফলে রাজধানীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোর বড় একটি অংশের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের প্রশাসনিক তদারকির দায়িত্ব একই কর্মকর্তার অধীনে রয়েছে। আর এই সময়েই প্যারাডাইমের কাজের পরিমাণ বাড়ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

ঢাকা সার্কেল-২-এর আওতায় রয়েছে গণপূর্ত ভবন, হাইকোর্ট, সচিবালয়, তেজগাঁও, বাংলাদেশ টেলিভিশন, ওয়ারী, কেরানীগঞ্জ কারাগার এবং রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল প্রতিষ্ঠান। এসব স্থাপনার সংস্কার, মেরামত ও উন্নয়নকাজের বড় একটি অংশ এই সার্কেলের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়। কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এই সার্কেলের বিভিন্ন কাজেও প্যারাডাইমের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।

নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, পুরানা পল্টনের ৭১ নম্বর ভবনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিটিজেন সার্ভিস সেন্টার তৈরির জন্য প্রায় ৩৮ লাখ টাকার সংস্কারকাজ পায় প্যারাডাইম। সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের বিভিন্ন কক্ষ সংস্কারে প্রায় ৬১ লাখ টাকা, একই ভবনের ১৪/ক নম্বর কক্ষ আধুনিকায়নে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ভিভিআইপি কনফারেন্স রুমের পাশে নতুন টয়লেট নির্মাণ ও অন্যান্য সংস্কারকাজে আরও ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার কার্যাদেশ প্রতিষ্ঠানটির হাতে যায়।

সচিবালয়ের অন্যান্য কাজেও একই প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ দেখা যায়। ৭ নম্বর ভবনের সংস্কারে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা, ৪ নম্বর ভবনে ৭৪ লাখ টাকা এবং ডে-কেয়ার সেন্টারের সংস্কারে প্রায় ৪৪ লাখ টাকার কাজ প্যারাডাইম পেয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এর বাইরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক কনফারেন্স রুম ও সংশ্লিষ্ট উন্নয়নকাজে ৫৬ লাখ টাকা এবং বিসিএস প্রশাসন একাডেমির দেয়াল সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে প্রায় ৫৭ লাখ টাকার কার্যাদেশও প্রতিষ্ঠানটির হাতে গেছে।

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জন্যও কাজ পেয়েছে প্যারাডাইম। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আইসিটি রুম, টয়লেট ও শেড নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কারকাজের জন্য প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটিকে।

রাজধানীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও প্যারাডাইমের কাজের পরিধি রয়েছে বলে নথিতে দেখা যায়। শেরেবাংলা নগরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সংস্কারকাজে প্রায় ৪২ লাখ টাকা, আগারগাঁওয়ের এসএমআরসি ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্পে প্রায় ১৫ কোটি টাকা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া ও বিভিন্ন হলের নির্মাণ, পরিবর্তন ও সম্প্রসারণের দুটি কাজে মোট প্রায় ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার কার্যাদেশ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বনানীতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সেতু ভবন নিয়েও প্যারাডাইমের বড় অঙ্কের কাজ রয়েছে। সংস্কার, রেট্রোফিটিং ও পুনর্নির্মাণের তিনটি পৃথক প্যাকেজে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১১ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উঠে এসেছে। এর পাশাপাশি এনবিআর ভবনের প্রায় ৪৯ লাখ টাকার একটি কাজও প্রতিষ্ঠানটির হাতে গেছে।

স্বাস্থ্যখাতের সরকারি স্থাপনাতেও প্যারাডাইমের কাজ রয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার গ্লাস কার্টেইন ওয়াল স্থাপনের কাজ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. মিলন অডিটোরিয়াম সংস্কারে প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং অডিটোরিয়াম এলাকার রাস্তা মেরামতে আরও প্রায় ৩৭ লাখ টাকার কাজ পাওয়ার তথ্যও রয়েছে।

এদিকে প্যারাডাইমের কাজ পাওয়ার সময়ই গণপূর্ত অধিদপ্তরে ড. আবু নাসের চৌধুরীর দায়িত্বও বিস্তৃত হয়েছে। গত ১৩ আগস্ট নারীঘটিত বিষয়সহ বিভিন্ন অভিযোগের পর সার্কেল-১-এর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে ওই সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বও আবু নাসেরের হাতে আসে।

গণপূর্তের সার্কেল-১ রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল। এর অধীনে রয়েছে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-১, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২, নগর গণপূর্ত বিভাগ এবং আরবরিকালচার বিভাগ। বঙ্গভবন, মন্ত্রীপাড়া, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, জুলাই জাদুঘর, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, রমনা পার্ক, এলেনবাড়ি, জাজেস কমপ্লেক্স, মতিঝিল ও কাকরাইলসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার দায়িত্ব এই সার্কেলের আওতায়। ফলে দুটি সার্কেলের দায়িত্ব একই কর্মকর্তার হাতে থাকায় রাজধানীর স্পর্শকাতর সরকারি স্থাপনার বিপুলসংখ্যক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণকাজের ওপর তার প্রভাব বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটেও এই দুই সার্কেলের অধীনে থাকা বিভাগগুলোর জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ রয়েছে। সার্কেল-২-এর ইডেন ভবন গণপূর্ত বিভাগের জন্য ২৫ কোটি টাকা, মেডিকেল গণপূর্ত বিভাগ ঢাকার জন্য ১৫ কোটি টাকা, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩-এর জন্য ১৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর জন্য ২৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে সার্কেল-১-এর নগর গণপূর্ত বিভাগের জন্য ৩০ কোটি টাকা, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-১-এর জন্য ১১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২-এর জন্য ২৩ কোটি টাকা এবং আরবরিকালচার বিভাগের জন্য ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। অর্থাৎ দুই সার্কেলের অধীন বিভাগগুলোর পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে বিপুল অর্থের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি এখন একজন কর্মকর্তার দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, সরকার পরিবর্তনের পরও ড. আবু নাসের চৌধুরীর প্রভাব কমেনি; বরং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর তার প্রভাব আরও বেড়েছে। তাদের অভিযোগ, এলেনবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু কর্ণার স্থাপনসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে আগেও আলোচনায় ছিলেন এই প্রকৌশলী। বর্তমানে তার দায়িত্বের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজের ক্ষেত্রে প্যারাডাইমের উপস্থিতি বাড়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এমনকি গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরের সচিবালয়ের কার্যালয়ের সাজসজ্জার কাজও প্যারাডাইমকে দেওয়া হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। ফলে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান কীভাবে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার কাজ পাচ্ছে এবং প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন অনিয়ম অনেক সময় অডিট প্রতিবেদনে যথাযথভাবে উঠে আসে না। সরকার পরিবর্তনের পরও যদি একই ধরনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বা আঁতাতের মাধ্যমে কাজ পেতে থাকে, তাহলে এসব অভিযোগ যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন প্যারাডাইম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল মোহাম্মদ। তিনি দাবি করেন, সাবেক গণপূর্ত সচিব শহীদ উল্লা খন্দকারের সঙ্গে তাদের প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই। স্থাপত্য অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির অবসরে যাওয়ার পর তাদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শুধু পরামর্শক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

প্যারাডাইমের বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়ে ফয়সাল মোহাম্মদ বলেন, তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে কি না সে বিষয়ে তারা অবগত নন এবং এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানকে কোনো চিঠিও দেওয়া হয়নি। ড. আবু নাসের চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে সচিবালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাজ পাওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। তার দাবি, প্যারাডাইম সচিবালয়ে কোনো কাজ করেনি এবং আবু নাসের চৌধুরীর দায়িত্বাধীন সার্কেলের অধীনেও তাদের কোনো প্রকল্প নেই।

অন্যদিকে, ড. আবু নাসের চৌধুরীর কাছে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ফলে একদিকে প্যারাডাইমের হাতে একের পর এক সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাজ যাওয়ার নথি, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অস্পষ্টতা—দুই বিষয় মিলিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে আবারও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানের হাতে এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজ যাওয়ার ক্ষেত্রে দরপত্র ও সরকারি ক্রয়বিধির প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না এবং কাজগুলোর মূল্য বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • Related Posts

    ধর্ষণ থেকে কোটি টাকার সম্পদ—গণপূর্তের প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত কোথায়

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি, ঘুষ, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো গুরুতর অভিযোগে প্রায় এক বছর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দেওয়া হলেও গণপূর্ত অধিদপ্তরের…

    মাটি ভরাটেই অনিয়মের অভিযোগ, ১১ বছরেও শেষ হয়নি কিসমত-জাফরাবাদ প্রকল্প

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার কিসমত-জাফরাবাদ এলাকায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য আবাসন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছিল আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্প। প্রায় ১১ বছর আগে শুরু হওয়া এই…

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    You Missed

    শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে শিশুদের ঝগড়া থেকে বড়দের সংঘর্ষ; মুরগি ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ১৫

    • By Sara
    • সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
    • 7 views
    শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে শিশুদের ঝগড়া থেকে বড়দের সংঘর্ষ; মুরগি ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ১৫

    চার দশক পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত পদক জিতল বাংলাদেশ

    • By Sara
    • সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
    • 6 views
    চার দশক পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত পদক জিতল বাংলাদেশ

    বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির মা মারা গেছেন

    • By Sara
    • সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
    • 6 views
    বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির মা মারা গেছেন

    ‘গলার কাঁটা’ হলেও নাফ নদীর পোল্ডার প্রকল্প শেষ করতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

    • By admin admon
    • সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
    • 11 views
    ‘গলার কাঁটা’ হলেও নাফ নদীর পোল্ডার প্রকল্প শেষ করতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

    মূল্যস্ফীতি রোধে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ

    • By admin admon
    • সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
    • 12 views
    মূল্যস্ফীতি রোধে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ

    ১ পয়সা বেশি ভাড়া আদায় করা হলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী

    • By admin admon
    • সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
    • 14 views
    ১ পয়সা বেশি ভাড়া আদায় করা হলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী