• শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৮:৪০ অপরাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ Avodate Evaluation: Is It Easy To Date Online? Unveiling The Enigmatic Beauty Of Dominican Brides PinCo Çevrimiçi Casino’yu Keşfedin: Oyun ve Ödüller “20bet App Felülvizsgálata ᐈ Link A Letöltéshez Magyarországo ঈদে রুনা লায়লার নতুন গান ধারাবাহিক থেকে সিনেমা ‘সাত ভাই চম্পা’ ৭৪–এ বরিশালের মিঠুন, রইল তাঁর জানা–অজানা কিছু তথ্য ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা পাইরেসি: অভিযুক্তদের হতে পারে চার বছরের কারাদণ্ড অতীত ভোলেননি বিজয় মুক্তির জন্য প্রস্তুত পাঁচ সিনেমা, আলোচনায় ‘তুফান’ আজ মুক্তি পাচ্ছে ‘বাজি’ আগে টি-টোয়েন্টি শাসন করলেও এখন পাকিস্তান পেছনে পড়ে গেছে: ইমাদ মালয়েশিয়ান ওপেনে এবার রুপা জিতলেন মাহফুজুর সাকিবদের সুপার এইটে ওঠার ম্যাচ বিশ্বকাপে প্রথম রিটায়ার্ড আউট, ফিরে এল বাংলাদেশের সেই স্মৃতিও

সবুজ কারখানার পণ্যে ক্রেতাদের বেশি দাম দেওয়া উচিত

বিশেষ প্রতিনিধি সবুজ বা পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া তৈরি পোশাক কারখানায় উৎপাদিত পণ্যে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের তুলনামূলক বেশি মূল্য দেওয়া উচিত। এসব কারখানা সবুজ উদ্যোগে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছে। সোমবার ঢাকার গুলশানে হোটেল রেনেসন্সে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এমন অভিমত দেন।বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি এবং পোশাক খাতের অন্যতম সবুজ কারখানা প্লামি ফ্যাশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল হক বলেন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রিন ফ্যাক্টরিতে উৎপাদিত পোশাকে বেশি দর দেওয়া উচিত। কেননা, তারা বিক্রির সময় এ ধরনের পোশাকে ‘গ্রিন ট্যাগ’ ব্যবহার করে। ক্রেতারা দর বাড়ালে উদ্যোক্তারা আরও বেশি হারে পানি ও বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে পারবে। একই সঙ্গে কার্বন নির্গমনও কমাতে পারবে।‘বাংলাদেশের বাণিজ্যের সবুজায়ন’ শীর্ষক এ আলোচনায় বিশ্বব্যাংকের সামষ্টিক অর্থনীতি ও বিনিয়োগবিষয়ক সিনিয়র অর্থনীতিবিদ নোরা ডিহেল বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে অধিকতর প্রতিযোগী সক্ষম হতে বাংলাদেশের উৎপাদন প্রক্রিয়া সবুজে রূপান্তরিত হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। উচ্চ হারের ট্যারিফ কমিয়ে আনা এবং বিভিন্ন অশুল্ক বাধা দূর করে পরিবেশবান্ধব পণ্য ও সেবা আমদানিতে উৎসাহ দিতে পারে বাংলাদেশ। গবেষণা সংস্থা পিআরআইর চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার বলেন, স্থানীয় উৎপাদকরা সবুজ কারখানার জন্য প্রচুর বিনিয়োগ করছেন। ফলে বাড়তি মূল্য প্রত্যাশা করা যৌক্তিক। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফারহিনা আহমেদ বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে সরকারের।এর আগে সেবা বাণিজ্যের ওপর আরেক অধিবেশনে বক্তারা রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বৈশ্বিক মূল্য চেইনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সংস্কারের তাগিদ দেন। এ অধিবেশন সঞ্চালন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ। বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ নোরা ডিহেল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সামসুল আরেফিন। আলোচনায় বক্তারা সেবা বাণিজ্য বাড়াতে প্রযুক্তি উন্নয়ন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানো, বিভিন্ন নিয়মকানুনের আধুনিকায়নসহ নানা সুপারিশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.